• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদি যুবরাজ ও নেদারল্যান্ডসের রাজার সঙ্গে কাতারের আমিরের ফোনালাপ শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৬ লাখ টাকার বিদেশি মদ জব্দ উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ নিয়ে কঠোর প্রধানমন্ত্রী সোনাতলা নদীর বৈদ্যুতিক তার চুরির অভিযোগ: সংবাদ প্রকাশের পর মাঠে পল্লী বিদ্যুৎ   ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তির সুযোগ দেখছেন জেডি ভ্যান্স পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ: কেন থামছে না অস্থিরতা গাজার সংকটে দুবাইয়ে ১০ মিলিয়ন খাবারের প্যাকেট প্রস্তুতি ও ১১টি বোয়িং কিনতে আড়াই বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের সম্ভাবনা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১৬ লাখ টাকার বিদেশি মদ জব্দ

রিপোর্টার: / ৩ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর (সিআইআইডি) অভিযান চালিয়ে ৮১ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুল্কমুক্ত সীমার অতিরিক্ত এই মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এয়ারপোর্টের এ-শিফটের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নজরদারি জোরদার করে এই সাফল্য পান। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানায়।

প্রথম অভিযানে দুবাই থেকে আসা এমিরেটসের ইকে৫৮৪ ফ্লাইটের যাত্রী রোমান মিখাইলভ গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় তার ব্যাগেজ স্ক্যান করা হয়। তল্লাশিতে তার কাছে ৭৮ দশমিক ৫০ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়। বিধিমালা অনুযায়ী, বিদেশি পাসপোর্টধারী যাত্রী হিসেবে তার এক লিটার মদ শুল্কমুক্তভাবে আনার সুযোগ ছিল। ফলে অতিরিক্ত ৭৭ দশমিক ৫০ লিটার মদ জব্দ করা হয়। অতিরিক্ত পণ্য বা অনুমোদনবহির্ভূত সামগ্রী বহনের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরেক অভিযানে ২৯ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের টিকে৭১২ ফ্লাইটে আসা যাত্রী সামিউল ইসলামের ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়। সেখান থেকে চার লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়, যা অনুমোদিত সীমার অতিরিক্ত হওয়ায় জব্দ করা হয়েছে। উভয় ঘটনায় সব মিলিয়ে অনুমোদিত সীমার বাইরের ৮১ দশমিক ৫০ লিটার মদ বাজেয়াপ্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর জানিয়েছে, ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ও চোরাচালান রোধে বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেলসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নিয়মিত স্ক্যানিং, ঝুঁকি বিশ্লেষণ এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শাহজালাল বিমানবন্দরকে চোরাচালানমুক্ত রাখতে এবং নিয়মের বাইরে পণ্য পরিবহন ঠেকাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের কঠোর তদারকি অব্যাহত থাকবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ