• শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী শাহজালালে নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও লাঞ্ছনার অভিযোগে মামলা বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা ও রণতরি পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এলো দেশে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জামায়াত আমিরের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি নিয়ে কোনো সংকট নেই: মন্ত্রী নিজের আইকিউকে ‘সবচেয়ে বেশি’ বলে দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক

শাহজালালে নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও লাঞ্ছনার অভিযোগে মামলা

রিপোর্টার: / ৩ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার লাগেজ ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সূত্রপাত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। তাই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, লাগেজ ট্রলির অপ্রতুলতা নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির একপর্যায়ে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ওই সময় নির্বাহী পরিচালককে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেন। তিনি সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমি কিন্তু পিটাবো ধইরা’ এবং ‘ঘাড় ধরে বের করে দিবো’।

তদন্তাধীন নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এগিয়ে এলে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান নিরাপত্তা সুপারভাইজার কামাল উদ্দিনকে লাঞ্ছিত করেন। এ সময় পবিত্র জমজমের পানির বোতলেরও ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এই স্থাপনায় দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে বলে নথিতে বলা হয়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মূলত যাত্রীদের লাগেজ পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত ট্রলি না থাকাকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সৃষ্টি হয়। যাত্রীসেবা ও বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তাদের কাজে বাধা সৃষ্টি এবং অসদাচরণের বিষয়টিকে মামলার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ জোরদার করেছে।

তবে মামলার মাধ্যমে আনা এসব অভিযোগের বিষয়ে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মূলত এই ঘটনার সত্যতা ও পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারিত হবে। ভবিষ্যতে ট্রলি ব্যবস্থাপনার মতো যাত্রীসেবা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো যেন আর কোনো বিশৃঙ্খলার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়, সে লক্ষ্যেও কর্তৃপক্ষ নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। আইনগত প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ