• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শাহজালাল বিমানবন্দরে সোনা চোরাচালান: ৪ মাসে ১৭০ কোটির উদ্ধার পথশিশু-ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: ডা. জাহিদ বিদায়ী বক্তব্যে যা বললেন মেসি রাজশাহী মেডিকেলের ভিসিকে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র লেখানোয় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার কাতারে মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি: সাকুরা সুপারমার্কেট ১০ দিন বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংককে না জানিয়েই ৩০ ব্যাংকের এটিএম সেবা বন্ধ শাহজালালে ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেটসহ আটক তিন যাত্রী বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের শিক্ষার অধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা ড্রোন শোতে আবেগঘন বিদায় পেলেন লিওনেল মেসি জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেন ফুটবলের কিংবদন্তি মেসি

পথশিশু-ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: ডা. জাহিদ

রিপোর্টার: / ১ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

আগামী চার বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে পর্যায়ক্রমে পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বুধবার সকালে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জনে অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’— শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

শিশুদের পূর্ণাঙ্গ বিকাশে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

মন্ত্রী জানান, শিশুদের যত্ন ও বিকাশের জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক বিভাগ সক্রিয় রয়েছে। বিশেষ করে পথশিশুদের পুনর্বাসন ও তাদের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের একটি আলাদা বিভাগ রয়েছে, যেটিকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পথশিশুদের জন্য কেবল পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; বরং তাদের মানসিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের ওপরও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মূলধারার সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনতে সরকার বদ্ধপরিকর।

সকল শিশুকে এক ছাতার নিচে আনার লক্ষ্য

জাহিদ হোসেন আরও বলেন, শিশু একাডেমির মাধ্যমে কেবল সুবিধাপ্রাপ্ত শিশু নয়, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও একই ছাতার নিচে নিয়ে আসতে চায় সরকার। তিনি শিশুদের জন্য এমন একটি পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যেখানে কোনো শিশু নিজেকে পিছিয়ে পড়া মনে করবে না। মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নামে যে কথাটি আমরা এখন ব্যবহার করছি, এই কথাটি আর কখনো যেন ব্যবহার করতে না হয়।’ এই লক্ষ্য পূরণে তিনি পাহাড় ও সমতলের মানুষসহ ধর্ম, বর্ণ ও জাতি নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য বাসযোগ্য একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে সম্মিলিত দায়িত্ব

শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে সুরক্ষিত পরিবেশ একান্ত জরুরি। শিশু নির্যাতন ও সহিংসতার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে কেবল আইনি কাঠামো থাকলেই হবে না, সামাজিকভাবে মানুষকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বিকাশের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করা কেবল শিশু একাডেমি বা সরকারের কোনো একক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়, এটি দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শিশু থেকে প্রবীণসহ সব মানুষের বসবাস উপযোগী পরিবেশ থাকবে।

সেমিনারে যারা উপস্থিত ছিলেন

  • জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।
  • মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান।
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস এম আমানুল্লাহ।
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালমা আক্তার।
  • শিশু একাডেমির মহাপরিচালক আরজু আরা বেগম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ