• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মানবসেবার অঙ্গীকারে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা রয়্যাল গ্রিনে নতুন নেতৃত্ব কলাপাড়ায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে মারধরের অভিযোগ, আহত মা-ছেলে হাসপাতালে কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাহপুরে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্যোগ বিএনপির নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠনের স্বীকৃতি দাবিতে সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ ও সমাবেশ ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি কলাপাড়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের বসতঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই, সরকারি মালিকানাতেই থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে ধাক্কা, পাঁচ মাসে আয় কমেছে ৮ শতাংশ রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি, আরও পাঁচ দিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস কোচিংয়ে গিয়ে আর ফেরেনি মরিয়ম, ১২ দিনেও মেলেনি সন্ধান

লালমোহনে পল্লীবিদ্যুতের শ্রমিক বিদ্যুতের শর্ট খেয়ে গুরুতর আহত।দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৪৮২ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১

লালমোহন প্রতিনিধি।।ভোলার লালমোহন পৌর শহরের বর্নালী সড়কের মাথায় লালমোহন পল্লী বিদ্যুতের লাইন ঠিক করার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক আরিফ বিদ্যুতের সর্ট খেয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। ১০ এপ্রিল প্রতিদিনের মত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক আরিফসহ অনান্যরা কাজ করতে যায়। লালমোহন পৌর শহরের বর্নালী সড়কের মাথায় পিলার বেয়ে কাজ করার জন্য পিলারের মাথায় উঠে শ্রমিক আরিফ। পিলারে উঠার সময় তারা জানত বিদ্যুতের লাইন বন্ধ আছে । কিন্তু সে পিলারের মাথায় উঠে কাজ করা শুরু করলে হঠাৎ বিকট শব্দ হয় এবং আরিফ তার ধরে দাড়িয়ে থাকে। আরিফের অনান্য সহযোগীরা মূল লাইনে বিদ্যুৎ আছে বুঝতে পেরে দ্রুত মূল লাইন বন্ধ করার জন্য মোবাইলে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে বললে মূল লাইন বন্ধ করা হয়। পরে লালমোহন ফায়ার সার্ভিস কে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আরিফকে পিলারের মাথা থেকে উদ্ধার করে লালমোহন হাসপাতালে প্রেরণ করে, আরিফের অবস্থা বেগতিক দেখে লালমোহন হাসপাতাল থেকে ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়, সেখানে যাওয়ার পর ভোলা সদর হাসপাতাল থেকে ও রেফার করে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল প্রেরণ করা হয়েছে। বিদ্যুতের তারে সট খেয়ে আরিফের হাত ও পা ঝলসে যায়। জানা যায় আহত আরিফের বাড়ী ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ এলাকায়।
এ ব্যাপারে লালমোহন পল্লীবিদ্যুতের ডিজিএম এসএম শাহিন আহসান কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, পল্লীবিদ্যুতের লাইনের কাজ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ঠিকাদারের কাজ শুরু করার নিয়ম অনুযায়ী আগে আমাদের কে অবহিত করে লাইন শার্টডাউন করে নেয়ার কথা। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে অবহিত না করে এবং লাইন শার্টডাউন না করে শ্রমিক নিয়ে কাজ শুরুকরে। ফলে দুর্ঘটনা পতিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ