• শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির নিবন্ধিত সহযোগী সংগঠনের স্বীকৃতি দাবিতে সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ ও সমাবেশ ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি কলাপাড়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের বসতঘরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, ১০ লাখ টাকার ক্ষতি টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই, সরকারি মালিকানাতেই থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে ধাক্কা, পাঁচ মাসে আয় কমেছে ৮ শতাংশ রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি, আরও পাঁচ দিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস কোচিংয়ে গিয়ে আর ফেরেনি মরিয়ম, ১২ দিনেও মেলেনি সন্ধান পাটাতন ধসে সড়কে নামাজ আদায়, কলাপাড়ায় মসজিদ সংস্কারে এগিয়ে এলেন যুবদল নেতা সুমন গাজী আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কে বর্জ্য অপসারণ, শুরু হচ্ছে নিমগাছ রোপণ সমুদ্রবন্দরের সতর্কতা সংকেত প্রত্যাহার, পাঁচ বিভাগে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি দোকান ভস্মিভূত, অক্ষত মানবজাতির শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোরআন./দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩২৬ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২

এম.জাফরান হারুন, নিজস্ব প্রতিনিধি, পটুয়াখালী:: পটুয়াখালী বাউফলের কালাইয়া বন্দরের ল্যাংড়া মুন্সীর পোল সংলগ্ন দক্ষিণ পট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। কিন্তু অক্ষত রয়েছে মানবজাতির নেয়ামত রহমতের মাথার তাজ আল্লাহ্ পাকের পবিত্র কালাম কোরআন শরীফ।

ওই ১৪টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে যাওয়ার পর বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিসের আপ্রান চেষ্টায় ও স্থানীদের চেষ্টায় আগুন নিভানোর পর পবিত্র কালাম কোরআন শরীফটি অক্ষত অবস্থায় সনাক্ত করেছেন কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা।

দেখা যায়, সবকটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও পবিত্র কোরআন শরীফটি পুড়ে যায়নি। এটাই মানবজাতির জন্য বলা, পবিত্র কোরআন শরীফের হেফাজতকারী আল্লাহ্।

শনিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ৯টার দিকে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘন্টাব্যাপি চেষ্টা চালিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে থেকে জানা গেছে, শনিবার বেলা সাড়ে নয়টার দিকে ফিরোজ নামের এক মুদি-মনোহারির দোকানে হঠাৎ একটি গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটে। মূহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা আশ-পাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে নেছার রাইচ মিল, খোকা সাইকেল গ্রেজ, নিজামের মেকানিক্সের দোকান, গৌতম সাহার ফ্রিজ ও বৈদ্যুতিক মালামালের দোকান, সবুজের ইলেকট্রনিক্স দোকান, মনোরঞ্জন দাসের হার্ডওয়ার ও ওষুধের দোকান, রনজিত দাসের ওষুধের দোকান, গোলাম রাব্বীর ওষুধের দোকান, রফিকের বাসগৃহ সম্পূর্ণভাবে ভস্মিভূত হয়। এছাড়া রতনের চায়ের ষ্টল, জাহাঙ্গীরের চায়ের ষ্টল, উত্তম সাহার মুদি-মনোহারি দোকান এবং পারভেজের মুদি-মনোহারি দোকানের আংশিক পুড়ে যায়। আগুনের খবর পেয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় ঘন্টাব্যাপি চেষ্টা চালিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বাউফল ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সিপেক্টর আরিফুজ্জামান শেখ জানান, ফিরোজের দোকানে গ্যাস ও পেট্রল বিক্রি হতো। এখন ফিরোজকে পাওয়া যাচ্ছে না। ফিরোজকে পেলে আগুন লাগার প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। অপরদিকে ক্ষয়ক্ষতি কি রকম হয়েছে তা নির্ণয় করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ