• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার আমিনবাজারের বদলে যাওয়া চেহারা দেখে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে সবুজায়নের আহ্বান জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি দোকান ভস্মিভূত, অক্ষত মানবজাতির শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোরআন./দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩৬৩ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০২২

এম.জাফরান হারুন, নিজস্ব প্রতিনিধি, পটুয়াখালী:: পটুয়াখালী বাউফলের কালাইয়া বন্দরের ল্যাংড়া মুন্সীর পোল সংলগ্ন দক্ষিণ পট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৪টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। কিন্তু অক্ষত রয়েছে মানবজাতির নেয়ামত রহমতের মাথার তাজ আল্লাহ্ পাকের পবিত্র কালাম কোরআন শরীফ।

ওই ১৪টি দোকান পুড়ে ছাঁই হয়ে যাওয়ার পর বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিসের আপ্রান চেষ্টায় ও স্থানীদের চেষ্টায় আগুন নিভানোর পর পবিত্র কালাম কোরআন শরীফটি অক্ষত অবস্থায় সনাক্ত করেছেন কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফয়সাল আহমেদ মনির মোল্লা।

দেখা যায়, সবকটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও পবিত্র কোরআন শরীফটি পুড়ে যায়নি। এটাই মানবজাতির জন্য বলা, পবিত্র কোরআন শরীফের হেফাজতকারী আল্লাহ্।

শনিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ৯টার দিকে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘন্টাব্যাপি চেষ্টা চালিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে থেকে জানা গেছে, শনিবার বেলা সাড়ে নয়টার দিকে ফিরোজ নামের এক মুদি-মনোহারির দোকানে হঠাৎ একটি গ্যাস সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটে। মূহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা আশ-পাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলে নেছার রাইচ মিল, খোকা সাইকেল গ্রেজ, নিজামের মেকানিক্সের দোকান, গৌতম সাহার ফ্রিজ ও বৈদ্যুতিক মালামালের দোকান, সবুজের ইলেকট্রনিক্স দোকান, মনোরঞ্জন দাসের হার্ডওয়ার ও ওষুধের দোকান, রনজিত দাসের ওষুধের দোকান, গোলাম রাব্বীর ওষুধের দোকান, রফিকের বাসগৃহ সম্পূর্ণভাবে ভস্মিভূত হয়। এছাড়া রতনের চায়ের ষ্টল, জাহাঙ্গীরের চায়ের ষ্টল, উত্তম সাহার মুদি-মনোহারি দোকান এবং পারভেজের মুদি-মনোহারি দোকানের আংশিক পুড়ে যায়। আগুনের খবর পেয়ে বাউফল ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় ঘন্টাব্যাপি চেষ্টা চালিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বাউফল ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সিপেক্টর আরিফুজ্জামান শেখ জানান, ফিরোজের দোকানে গ্যাস ও পেট্রল বিক্রি হতো। এখন ফিরোজকে পাওয়া যাচ্ছে না। ফিরোজকে পেলে আগুন লাগার প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। অপরদিকে ক্ষয়ক্ষতি কি রকম হয়েছে তা নির্ণয় করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ