• শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পচন যখন গোড়ায়: একটি ডিম হাতিয়ে নেওয়া ও আমাদের সামষ্টিক নৈতিক দেউলিয়াত্ব জুলাই স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে’—সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী পাহাড়ি দুর্যোগে উদ্ধার-ত্রাণে নিরলস সেনাবাহিনী, নিরাপদে সরানো হলো শতাধিক পরিবার ও পর্যটক রাজনীতি ক্ষমতার নয়, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম’—বরিশালে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বন্যাদুর্গতদের পাশে থাকতে প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে বিরোধ: কেরানীগঞ্জে যুবককে মারধরের অভিযোগ, আহতের অবস্থা গুরুতর সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, মুষলধারে বৃষ্টি; ঘাটে ফিরছে মাছধরা ট্রলার কুয়াকাটার সাগরে জেলের জালে ‘কালো সোনা’, ৮ কেজির পোয়া মাছ বিক্রি ৫০ হাজার টাকায় লঘুচাপের প্রভাবে উত্তাল সাগর, পায়রাসহ চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসে লাখো মুসল্লির ঢল/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩২৯ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২২

চট্টগ্রাম, ৯ অক্টোবর, ২০২২ (ক্রাইম বাংলা ): করোনা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামে পর পর দুই বছর সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঈদে মিলাদুন্নবীর (স.) জশনে জুলুস। করোনা মহামারী থেকে মুক্তি ও বিশ্ব শান্তি কামনায় হিজরি বর্ষ অনুযায়ী এবার জুলুসের ৫০তম আয়োজন হয়েছে চট্টগ্রামে। জশনে জুলুসে নবীপ্রেমী লাখো মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়েছে নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর, নারায়ে রিসালত ইয়া রাসুলাল্লাহ, হামদ, নাতে রসুল ও দরুদ।
রবিবার (৯ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ-এ-কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়। আর ৫০তম জুলুসে নেতৃত্ব দেন গাউসে জামান হজরতুলহাজ আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (ম.জি.আ.)। আর জশনে জুলুসে অংশ নিতে ভোর থেকে নবীপ্রেমী মানুষেরা জড়ো হতে থাকেন ষোলশহরের জামেয়া মাদ্রাসা মাঠ ও আশপাশের এলাকায়।
জুলুস শুরুর পর করোনা মহামারি থেকে মুক্তি ও বিশ্ব শান্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়। জুলুসের রোডম্যাপের মোড়ে মোড়ে অপেক্ষা করেন স্বেচ্ছাসেবক ও হুজুর কেবলার ভক্তরা। জুলুসকে ঘিরে নগরীর মুরাদপুর, বিবিরহাট, মাদ্রাসা এলাকায় শত শত টুপি, মাস্ক, আতর, সুরমা, তসবিহ, পাঞ্জাবি, ইসলামি বই, এবং খাবার দোকান বসে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ)। বিশেষ অতিথি ছিলেন সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ