• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

চট্টগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসে লাখো মুসল্লির ঢল/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩৭০ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২২

চট্টগ্রাম, ৯ অক্টোবর, ২০২২ (ক্রাইম বাংলা ): করোনা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামে পর পর দুই বছর সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঈদে মিলাদুন্নবীর (স.) জশনে জুলুস। করোনা মহামারী থেকে মুক্তি ও বিশ্ব শান্তি কামনায় হিজরি বর্ষ অনুযায়ী এবার জুলুসের ৫০তম আয়োজন হয়েছে চট্টগ্রামে। জশনে জুলুসে নবীপ্রেমী লাখো মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়েছে নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর, নারায়ে রিসালত ইয়া রাসুলাল্লাহ, হামদ, নাতে রসুল ও দরুদ।
রবিবার (৯ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকাহ-এ-কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া থেকে জশনে জুলুস শুরু হয়। আর ৫০তম জুলুসে নেতৃত্ব দেন গাউসে জামান হজরতুলহাজ আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (ম.জি.আ.)। আর জশনে জুলুসে অংশ নিতে ভোর থেকে নবীপ্রেমী মানুষেরা জড়ো হতে থাকেন ষোলশহরের জামেয়া মাদ্রাসা মাঠ ও আশপাশের এলাকায়।
জুলুস শুরুর পর করোনা মহামারি থেকে মুক্তি ও বিশ্ব শান্তি কামনায় মোনাজাত করা হয়। জুলুসের রোডম্যাপের মোড়ে মোড়ে অপেক্ষা করেন স্বেচ্ছাসেবক ও হুজুর কেবলার ভক্তরা। জুলুসকে ঘিরে নগরীর মুরাদপুর, বিবিরহাট, মাদ্রাসা এলাকায় শত শত টুপি, মাস্ক, আতর, সুরমা, তসবিহ, পাঞ্জাবি, ইসলামি বই, এবং খাবার দোকান বসে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ)। বিশেষ অতিথি ছিলেন সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ