• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার আমিনবাজারের বদলে যাওয়া চেহারা দেখে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে সবুজায়নের আহ্বান জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের হোস্টেল থেকে  চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২৯১ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট।।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের (কুমেক) হোস্টেল থেকে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাতে অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা। ওই শিক্ষার্থীর নাম মিনহাজুল করিম ভূঁইয়া। তার বাড়ি চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে। তিনি কলেজের ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী। জানা গেছে, দিনে ইন্টার্ন শেষ করে হোস্টেল ক্যান্টিনে লাঞ্চ করেন মিনহাজ। সে সময় তার পরনে অ্যাপ্রোন ছিল। বুধবার রাতে সার্জারি-১ বিভাগে তার নাইট ডিউটি ছিল। কিন্তু যথাসময়ে তিনি হাসপাতালে আসেননি। একাধিক বার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। রাত ৯টা পার হয়ে গেলেও তিনি হাসপাতালে না আসায় ২৫ ব্যাচের মোদাচ্ছের নামে একটি ইন্টার্নি চিকিৎসককে তার হোস্টেলে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে কক্ষের দরজা বন্ধ দেখতে পান মোদাচ্ছির। দরজা ধাক্কা দিলেও সাড়াশব্দ পাননি। এ সময় তিনি পাশের কক্ষের শিক্ষার্থীদের ডেকে আনেন। তারা জানালা দিয়ে দেখেন, অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মিনহাজ ঝুলে আছে। দ্রুত দরজা ভেঙে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু এর অনেক আগেই তিনি মারা যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের প্রভাষক আবু নাঈম বলেন,মিনহাজ আমার সরাসরি ছাত্র। এখন ২৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্ন করছে। কিন্তু সে ছিল ২৪তম ব্যাচের। ছাত্রজীবনে একাধিক বার ফেল করায় তার মধ্যে মানসিক বিষণ্ণতা ছিল। আত্মহত্যার পেছনে পুরনো বিষন্নতা পাশাপাশি পারিবারিক কোনো কারনও থাকতে পারে। কুমিল্লার কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ সনজুর মোর্শেদ বলেন, যে কক্ষে মিনহাজের মরদেহ পাওয়া গেছে সেখানে তিনি একাই থাকতেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি নোট উদ্ধার করি। তাতে লেখা ছিল আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। তার মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ