• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে বিএফইউজে-ডিইউজের শোক, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রথম জানাজা কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: ‘সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হলো’ ছয় মাসে পাঁচ অঞ্চলে চালু হচ্ছে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জোর প্রস্তুতি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের একনেকেই পাস হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, তিস্তাপারের মানুষের আর কোনো চিন্তা নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি বৈঠক, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন শঙ্কা জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান

উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি, মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাড়াতে হবে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

ক্রাইম বাংলা ডেস্ক / ২৫৭ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২ আগস্ট, ২০২৩

দেশে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে হাজার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র কয়েকশ। এ তথ্য থেকে দেশে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দক্ষ শিক্ষকের সংখ্যার বিষয়ে একটি ধারণা পাওয়া যায়। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। অন্যদিকে এই স্তরে ভর্তিযোগ্য আসন আছে প্রায় সাড়ে ৩৩ লাখ। এবার ভর্তির ক্ষেত্রে ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিযোগিতা হলেও কলেজ পর্যায়ে অন্তত ১৭ লাখ আসন শূন্য থাকতে পারে। পাশ করা শিক্ষার্থীর তুলনায় এ স্তরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আসন বেশি থাকায় শিক্ষার্থীরা ভর্তি নিয়ে চিন্তামুক্ত থাকবে, এটাই স্বাভাবিক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্র একেবারেই ভিন্ন। পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে কি না, তা নিয়ে শিক্ষার্থীরা চিন্তিত। যেহেতু ভর্তির ক্ষেত্রে এবারও পছন্দের শীর্ষে থাকা কিছু প্রতিষ্ঠানেই তুমুল প্রতিযোগিতা হবে, সেহেতু বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থী সংকটে পড়বে। বস্তুত সব স্তরেই ভালো মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কম। এ অবস্থায় দেশে শিক্ষার মান কাক্সিক্ষত পর্যায়ে উন্নীত করতে হলে মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। গত দুই দশকে দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে; বেড়েছে ভর্তি ও পাশের হার। শিক্ষাবিদদের মতে, দেশে শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেলেও কাক্সিক্ষত মাত্রায় বাড়ছে না মান। এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফল অর্জনের পরও অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। এ থেকেও শিক্ষার মানের বিষয়ে ধারণা পাওয়া যায়। শিক্ষার মান বাড়াতে হলে এ খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করার পদক্ষেপও নিতে হবে। আমরা যদি আমাদের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে চাই, তাহলে শিক্ষার সব স্তরে মান উন্নয়নের পদক্ষেপ নিতে হবে। বর্তমানে সমগ্র বিশ্বে কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে অনুধাবন করতে হবে শিক্ষার মান বাড়ানোর বিষয়টিকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এ খাতে কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে দরকার যোগ্য, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করার জন্য কেবল সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা যাতে অক্ষুণœ থাকে সে বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে। উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি কার্যক্রমে যাতে কোনো রকম জটিলতা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে হবে। লক্ষ্য করা যায়, প্রতিবছর নতুন শিক্ষাবর্ষে এবং নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘উন্নয়ন ফি’র নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। নিয়মবহির্ভূত এসব অর্থ প্রদান করতে গিয়ে অনেক অভিভাবক দিশেহারা হয়ে পড়েন। এসব অনিয়ম রোধে কর্তৃপক্ষকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে গ্রাম ও শহরের বৈষম্য দূর করার পদক্ষেপ নিতে হবে। লক্ষ করা যায়, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশ করার পর বহু শিক্ষার্থী গ্রাম ছেড়ে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করে। গ্রামীণ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হলে এ প্রবণতার অবসান হবে, এটি আশা করা যায়


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ