• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুললেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭২ একর খাসজমি বন্দোবস্তে দায় প্রমাণিত, সাবেক ইউএনও শহিদুল হকের এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ ৫ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’, গণভবনে সংরক্ষিত থাকবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষা, সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে জোর আলোচনা ধর্মীয় উৎসবের আনন্দে মুখর সাতক্ষীরা, সম্পন্ন হলো শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা কলাপাড়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের পর মৃত্যুর ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠল গ্রামবাসী বিদেশি বিনিয়োগে নতুন বার্তা প্রধানমন্ত্রীর: ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুন, সরকার থাকবে পাশে’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শুক্রবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, উত্তেজনা তুঙ্গে জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল, ব্যবস্থা নিতে সিইসিকে চিঠি

শাট ডাউন ও কারফিউয়ের কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষী ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ১০০ কোটি টাকা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ১৮৩ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২৬ জুলাই, ২০২৪

চাপাইনবাবগঞ্জ, ২৬ জুলাই, ২০২৪ ) : শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন, শাট ডাউন ও দেশজুড়ে সংঘাতের কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে আম পাঠাতে না পারায় চাষীদের উৎপাদিত আম পঁচে নষ্ট হয়েছে বাগানেই। কেউ কেউ আম পাড়লেও বিক্রি করতে হয়েছে কম দামে। সব মিলিয়ে আন্দোলন-সংঘাত ও কারফিউয়ের ১০ দিনে জেলার চাষী ও ব্যবসায়ীদের ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরেন্দ্র কৃষি উদ্দ্যোগ এর সিইও ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক মো. মুনজের আলম।
তিনি আরও জানান, আমের মধ্যম ও নাবী জাতের যখন ভরা মৌসুম, তখনই ছাত্র আন্দোলনের নামে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে সংঘাত। এতে জেলার বাইরে আম পাঠাতে পারেননি চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষী ও ব্যবসায়ীরা। আম পেকে নষ্ট হয়েছে বাগানে। ক্ষতি এড়াতে চাষীরা গাছ থেকে আম পাড়লেও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হয়েছে কম দামে। ফলে লোকসানের শিকার হয়েছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা।
তিনি বলেন, জেলা থেকে প্রতিদিন ৩ শতাধিক ট্রাকে সাড়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন আম যায় দেশের অভ্যন্তরীন বাজারে। এই আমের মূল্য গড়ে ২৫ কোটি টাকা। আন্দোলনের ১০ দিনে ২৫০ কোটি টাকার আম বেচা-কেনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কিছু আম পঁচে নষ্ট হওয়ায় এবং কম দামে বিক্রি করায় এই অঙ্ক গিয়ে দাঁড়ায় ১৫০ কোটি টাকার ঘরে। কাজেই ওই ১০ দিনে চাষী ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ১০০ কোটি টাকা।
রিজিওনাল হর্টিকালচার রিসার্চ স্টেশন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোখলেসুর রহমান বলেন, এবছর দেরিতে মুকুলায়ন এবং বিরূপ প্রাকৃতিক অবস্থার কারণে আমের উৎপাদন কম হয়েছে।
গত কয়েকদিনের আন্দোলন ও কারফিউ এর কারণে আম পরিবহনে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় চাষী ও ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মধ্যে পড়লেও এবার আমের দাম বেশি থাকায় ক্ষতি কিছুটা হ্রাস পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, এখনো গাছে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ আম রয়েছে। নাবি জাতের এই আমের মধ্যে রয়েছে ফজলি, আশ্বিনা, আম্রপালি, বারি-১১, কাটিমন, গৌড়মতি ইত্যাদি।
সূত্রমতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ৩৭হাজার ৬০৪ হেক্টর জমিতে ৭৫ লাখ ৭৯ হাজার,৮২৫ টি আমগাছ রয়েছে এবং গতবছর জেলায় ৪ লাখ ৪৩হাজার ৬২৫ মেট্রিকটন আম উৎপাদন হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ