বরিশাল প্রতিনিধি :
গাজায় দখলদার ইসরায়েল বাহিনী নির্বিচারে সাংবাদিক হত্যা করছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল-গাজা সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে শুধু গাজাতেই দুই শতাধিক সাংবাদিকদের হত্যা করে ইসরায়েল।
গাজায় সাংবাদিক হত্যার সংখ্যাটা গত তিন বছরে বিশ্বব্যাপী মোট সাংবাদিক হতাহতের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে।
গাজায় নিরস্ত্র ও নিরাপরাধ সাংবাদিকদের হত্যার প্রতিবাদে বরিশালের সিএন্ডবি রোডে ২৯ এপ্রিল মানববন্ধন করেছে সংবাদিকরা। মামুনুর রশীদ নোমানীর আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন,আনোয়ার হোসাইন খান,আফসার মৃধা,মোঃ শাহাদাত ইসলাম, ইমন খন্দকার হৃদয়,আব্দুল গফফার, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় সাংবাদিকরা বলেন, প্রায় দুই বছর ধরে গাজায় ক্রমাগত হত্যা, ক্ষুধা, ভয় এবং বাস্তুচ্যুতির পরেও গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করে আসছে।২৫ আগস্ট হাসপাতালে হামলা করে একসাথে ৬ জন সাংবাদিক হত্যা প্রমান করেছে যে ইসরায়েল বর্বর ও যুদ্ধাপরাধী।
কোথায় আজ যুদ্ধনীতি, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার।বক্তারা গাজায় সাংবাদিক গনহত্যা বন্ধে দ্রুত জাতিসংঘসহ সকল রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এই রক্তক্ষয়ী তালিকা শুধু সংবাদকর্মীদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে না, বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্য জানার অধিকারকেও চরম হুমকির মুখে ফেলেছে।
শুধু সংখ্যা নয়, প্রতিটি মৃত্যু যেন একেকটি নীরব প্রশ্ন
এই ২ শতাধিক সংবাদকর্মীর মৃত্যু শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি আন্তর্জাতিক বিবেকের সামনে এক কঠিন প্রশ্ন। গাজায় সাংবাদিকদের হত্যার বিচার না হলে, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের ভবিষ্যৎ যে কতটা অনিশ্চিত, তা বলাই বাহুল্য। সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও মানবাধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি অবিলম্বে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের আহবান জানিয়েছেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
সাংবাদিকরা অবিলম্বে গাজায় যুদ্ধ বন্ধের সঙ্গে সঙ্গে সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিও জানান তারা।
সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনাও করেন তারা। সেই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ এবং গাজাবাসীর কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে যাথাযথ পদক্ষেপ নেয়ারও আহ্বান জানান।সেইসঙ্গে সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান জানান সাংবাদিকরা।