• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা বেনজীরের জামিন বাতিলে দুবাইয়ে ল’ ফার্ম নিয়োগ, দ্রুত দেশে ফেরানোর আশা সরকারের দুর্গম বান্দরবানে নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, গর্ভবতী ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রশিক্ষণ শুরু কলাপাড়ায় বিএনপি সভাপতিকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপের ঘোষণা নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুললেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৭২ একর খাসজমি বন্দোবস্তে দায় প্রমাণিত, সাবেক ইউএনও শহিদুল হকের এক বছরের বেতন বৃদ্ধি স্থগিত কুয়াকাটায় সংবাদকর্মী কে এম বাচ্চুর ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ, ছাত্রদল-যুবদলের কয়েক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পর্যটন স্পটে শিশু নিখোঁজের ঘটনা

রিপোর্টার: / ২২৮ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পর্যটন স্পটে শিশু নিখোঁজের ঘটনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে শিশু নিখোঁজের ঘটনা। পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে দলছুট হয়ে শিশুদের হারিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, বিশেষ করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (২১ মাসে) দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে মোট ৪৪৩ জন শিশু নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে শুধু গত ৯ মাসে কক্সবাজার সৈকত থেকে ১৬০ শিশুকে উদ্ধার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সূত্র জানায়, বড় কোনো উৎসব বা ছুটির সময় পর্যটকদের ভিড় বাড়লে নিখোঁজের ঘটনাও বেড়ে যায়। ২০২৩ সালে সারা দেশের পর্যটন স্পটগুলো থেকে নিখোঁজ ৩৭১টি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

২০১৩ সালে দেশের পর্যটন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ট্যুরিস্ট পুলিশ গঠন করা হয়। বর্তমানে ঢাকা (ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম), খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী (রংপুর) — এই চার বিভাগের ১১টি অঞ্চলে ট্যুরিস্ট পুলিশ সেবা দিচ্ছে। তবে পর্যটকের তুলনায় ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল এখনো পর্যাপ্ত নয়।

সূত্র আরও জানায়, শিশু হারানোর ঘটনা শুধু অভিভাবকদের উদ্বেগই বাড়াচ্ছে না, বরং পর্যটকদের মধ্যে ভ্রমণ বিষয়ে নেতিবাচক ধারণাও তৈরি করছে। অনেক সময় শিশুদের অতিরিক্ত কৌতূহল ও দুরন্তপনা দলছুট হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার সৈকতে নিখোঁজ শিশু উদ্ধারের জন্য ১০ সদস্যের একটি বিশেষ টিম কাজ করছে। সৈকতের ২৭টি সিসিটিভি ক্যামেরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে এবং বাইনোকুলারের সাহায্যে শিশুদের গতিবিধিও নজরে রাখা হয়।

অভিভাবকদের উদাসীনতার কারণে শিশু হারালে এখন থেকে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এমন ক্ষেত্রে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হবে, এবং মুচলেকা দিয়ে তবেই অভিভাবক শিশুকে ফিরে পাবেন।

এ বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান বলেন,

> “দেশের পর্যটন স্পটগুলোতে শিশু নিখোঁজের হাজারের বেশি ঘটনার রেকর্ড রয়েছে। কোনো শিশু উদ্ধার হলে আমরা অবিলম্বে তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিই। ভ্রমণকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ