• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ,,, রয়টার্সের বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,,, ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র, অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ—ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা,,, ভয় নয়, সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান—১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে ব্যালট: প্রধান উপদেষ্টা,,, কলাপাড়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জমজমাট বিতর্ক,,, কলাপাড়ায় গোলগাছের রসে তৈরি ভিন্নস্বাদের গুড়, বাড়তি আয়ের নতুন সম্ভাবনা,,, গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি,,, বিএনপিতে যোগ দিলেন মুফতি হাবিবসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়ে ধানের শীষে পূর্ণ সমর্থন রবিউলের,,,, কলাপাড়ায় গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযান, বিপুল দেশীয় অস্ত্রসহ যুবক আটক,,,, খালেদা জিয়ার ওসিয়ত রক্ষার আহ্বান এবিএম মোশাররফের, কলাপাড়ায় ধানের শীষে ভোট চাইলেন,,,

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পর্যটন স্পটে শিশু নিখোঁজের ঘটনা

রিপোর্টার: / ১৭৩ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে পর্যটন স্পটে শিশু নিখোঁজের ঘটনা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে শিশু নিখোঁজের ঘটনা। পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে দলছুট হয়ে শিশুদের হারিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে, বিশেষ করে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত (২১ মাসে) দেশের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে মোট ৪৪৩ জন শিশু নিখোঁজ হয়। এর মধ্যে শুধু গত ৯ মাসে কক্সবাজার সৈকত থেকে ১৬০ শিশুকে উদ্ধার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সূত্র জানায়, বড় কোনো উৎসব বা ছুটির সময় পর্যটকদের ভিড় বাড়লে নিখোঁজের ঘটনাও বেড়ে যায়। ২০২৩ সালে সারা দেশের পর্যটন স্পটগুলো থেকে নিখোঁজ ৩৭১টি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয় এবং ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

২০১৩ সালে দেশের পর্যটন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ট্যুরিস্ট পুলিশ গঠন করা হয়। বর্তমানে ঢাকা (ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম), খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী (রংপুর) — এই চার বিভাগের ১১টি অঞ্চলে ট্যুরিস্ট পুলিশ সেবা দিচ্ছে। তবে পর্যটকের তুলনায় ট্যুরিস্ট পুলিশের জনবল এখনো পর্যাপ্ত নয়।

সূত্র আরও জানায়, শিশু হারানোর ঘটনা শুধু অভিভাবকদের উদ্বেগই বাড়াচ্ছে না, বরং পর্যটকদের মধ্যে ভ্রমণ বিষয়ে নেতিবাচক ধারণাও তৈরি করছে। অনেক সময় শিশুদের অতিরিক্ত কৌতূহল ও দুরন্তপনা দলছুট হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার সৈকতে নিখোঁজ শিশু উদ্ধারের জন্য ১০ সদস্যের একটি বিশেষ টিম কাজ করছে। সৈকতের ২৭টি সিসিটিভি ক্যামেরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে এবং বাইনোকুলারের সাহায্যে শিশুদের গতিবিধিও নজরে রাখা হয়।

অভিভাবকদের উদাসীনতার কারণে শিশু হারালে এখন থেকে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এমন ক্ষেত্রে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হবে, এবং মুচলেকা দিয়ে তবেই অভিভাবক শিশুকে ফিরে পাবেন।

এ বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান বলেন,

> “দেশের পর্যটন স্পটগুলোতে শিশু নিখোঁজের হাজারের বেশি ঘটনার রেকর্ড রয়েছে। কোনো শিশু উদ্ধার হলে আমরা অবিলম্বে তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিই। ভ্রমণকে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ