• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রিফাইন আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার ষড়যন্ত্র চলছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারত-চীন সম্পর্ক ও ব্রিকস নিয়ে বড় বার্তা: মোদি-শি বৈঠক ইসরাইলকে কঠোর হুঁশিয়ারি এরদোগানের: তুরস্ককে ঘিরে কোনো চক্রান্ত বরদাস্ত করা হবে না মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা: সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৪ ভরি সোনা উদ্ধার, আটক ৩ পুলিশের পাঁচ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আরও অর্ধশত মামলা বিচারাধীন: কর ও শ্রম আদালতে আইনি লড়াই দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন: এক ফ্রেমে হাস্যোজ্জ্বল মোদি, শি ও পুতিন গ্যাস সরবরাহ সংকট: যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির পথে কাতার এআই নজরদারি ও ১০ লেনে উন্নীতকরণে বদলে যাচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি,,,

রিপোর্টার: / ২১৪ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।
কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতে গত ২৩ মাসে মোট ১১২টি মামলা সফলভাবে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে গ্রাম পর্যায়ে সাধারণ মানুষ এখন দ্রুত, সহজ ও স্বল্প খরচে ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।

গ্রাম আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জুন মাসে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হলেও ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা গ্রহণ শুরু হয়। এরপর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৩ মাসে ধুলাসার ইউনিয়নে মোট ১১২টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

নিষ্পত্তিকৃত মামলাগুলোর মধ্যে ১১১টি মামলা সরাসরি ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড থেকে গ্রাম আদালতে দায়ের করা হয় এবং ১টি মামলা আসে উচ্চ আদালত থেকে। এসব মামলার মধ্যে দেওয়ানী মামলা ৯১টি ও ফৌজদারি মামলা ২১টি। মামলাগুলো দায়ের করেছেন ৭৮ জন পুরুষ ও ৩৪ জন নারী।

গ্রাম আদালতের মাধ্যমে এসব মামলা নিষ্পত্তির ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের অনুকূলে মোট ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা সম্ভব হয়েছে। গড়ে একটি মামলা নিষ্পত্তিতে সময় লেগেছে মাত্র ১০ দিন

গ্রাম আদালতে ন্যায়বিচার পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ধুলাসার ইউনিয়নের কাউয়াচর গ্রামের বাসিন্দা তমিজ আলীর স্ত্রী রহিমা বেগম। তিনি জানান, প্রতিবেশী সোহাগের কাছে পাওনা এক লাখ টাকা আদায়ের জন্য এক বছর ধরে ঘুরেও কোনো ফল পাননি। পরে মাত্র ২০ টাকা ফি দিয়ে গ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালতের রায়ে তিনি তার পাওনা টাকা ফেরত পান। এতে তিনি অত্যন্ত খুশি ও স্বস্তি প্রকাশ করেন।

গ্রাম আদালতের সুফলভোগীরা জানান, গ্রাম আদালত না থাকলে হয়তো তারা কখনোই ন্যায়বিচার পেতেন না। দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিচার পাওয়ায় গ্রাম আদালতের প্রতি মানুষের আস্থা দিন দিন বাড়ছে।

এ বিষয়ে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের কলাপাড়া উপজেলা সমন্বয়কারী রাশেদ খান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদকে কেন্দ্র করে গ্রাম আদালতকে আরও কার্যকর করতে ধুলাসার ইউনিয়নে নিয়মিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে গ্রামের দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ—বিশেষ করে নারী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী—ন্যায়বিচারের সুযোগ পাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ