• বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদা দাবির ঘটনা নিয়ে বিএনপি’র দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ।। আহত-১৫ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ,, গণপরিবহনে তেল সংকট কাটছে, শনিবার রাত থেকেই উঠছে রেশনিং সীমা হরমুজ প্রণালি নিরাপদে রাখতে মিত্রদের যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান ট্রাম্পের মিরপুরে আজ সিরিজ নির্ধারণী লড়াই: বাংলাদেশ–পাকিস্তান মুখোমুখি সংস্কার পরিষদের অধিবেশন দ্রুত না ডাকলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ১১ দলীয় জোটের ক্ষমতায় এসেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু: ধর্মীয় নেতাদের ভাতা কর্মসূচি উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত হবে সংসদে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ হাদি হত্যা মামলায় পলাতকদের সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার ঘুষ দাবির অডিও ফাঁস: প্রসিকিউশন টিমকে ‘জিরো টলারেন্স’ সতর্কবার্তা চিফ প্রসিকিউটরের

হাদি হত্যা মামলায় পলাতকদের সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার

রিপোর্টার: / ৩৫ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

হাদি হত্যা মামলায় পলাতকদের সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

শনিবার ভোরে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার শান্তিপুর বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহের বাসিন্দা ফিলিপ সাংমাকে আটকের বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের পক্ষ থেকে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ৭ মার্চ দিবাগত রাতে একই মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ফিলিপ সাংমার অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফিলিপ সাংমা জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে সীমান্ত পারাপারে সহায়তা করার কাজ করতেন। হাদি হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ পুলিশের চাপ বাড়তে থাকায় তিনি ওই সীমান্ত দিয়েই ভারতে পালিয়ে যান। পরে ফয়সাল ও আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আবার বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে ফয়সাল ও আলমগীর গ্রেপ্তার হওয়ার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুষ্কৃতিকারীরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সেখান থেকে ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ