• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

ব্যাংক খাতের লুট ও আস্থাহীনতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা, রাষ্ট্রপতি নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বদিউল আলম

রিপোর্টার: / ১২৭ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

ব্যাংক খাতের লুট ও আস্থাহীনতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা, রাষ্ট্রপতি নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বদিউল আলম

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ব্যাংক খাতের দুর্নীতি ও আস্থাহীনতা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে ঘিরেও প্রশ্ন তোলেন।

শনিবার রাজধানীর কাওরান বাজারে বিডিবিএল ভবনে ভয়েস ফর রিফর্ম আয়োজিত ‘সংশোধিত ব্যাংক রেজল্যুশন আইন-২০২৬: আবারও ঝুঁকির মুখে ব্যাংকিং খাত’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংক দখলের সময় এস আলম গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত থেকে লুটের সহযোগিতা করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত ছিল।” তিনি মন্তব্য করেন, এ ধরনের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও উচ্চপদে থাকা নিয়ে জাতির আত্মমর্যাদা প্রশ্নের মুখে পড়ে।

বৈঠকে বক্তারা অভিযোগ করেন, সংশোধিত ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে নতুন করে ১৮(ক) ধারা যুক্ত করে অতীতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের আবারও ব্যাংকের মালিকানায় ফেরার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এতে পুরো ব্যাংকিং খাত নতুন করে ঝুঁকিতে পড়তে পারে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

ব্যাংক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বদিউল আলম মজুমদার। প্রথমত, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, ভবিষ্যতে অনিয়ম ঠেকাতে কার্যকর পদ্ধতিগত সংস্কার। তৃতীয়ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও স্বাধীন করা গেলে এ ধরনের অনিয়ম অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।

বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী, ড. মোসতাক খান, ড. ওয়ারেসুল করিম, সারোয়ার তুষার, আসিফ খান, শওকত হোসেন মাসুম এবং শামস মাহমুদ।

এদিকে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক সহিংসতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে শিক্ষাঙ্গন রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা শিক্ষার মানকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ