• শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
অনলাইনে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, হয়রানি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ: প্রতিকারের দাবি* ৯ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে ১১ দলীয় পাকিস্তানের কোহাতে পুলিশ সদর দপ্তরে হামলায় ঝরল ৩১ প্রাণ সৌদি আরব রক্ষায় শর্তহীন প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানের থার্ড টার্মিনালে যাত্রীসেবা: ১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি মেনজিসের রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিকাণ্ড: আতঙ্ক ফিফার ২১১ দেশকে ১২৩ কোটি টাকা করে দেওয়ার দাবি সুনামগঞ্জে তিন সন্তানসহ বাবার বিষপানের ঘটনায় চাঞ্চল্য এক দশকে দ্বিগুণ প্রবাসীদের রেমিট্যান্স, জানাল জাতিসংঘ দীর্ঘ এক যুগ পর ঢাকায় ফিরছে বাটেক্সপো ২০২৬

তিস্তা-পদ্মায় ব্যারেজ নির্মাণের ঘোষণা, পানি সংকট মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

রিপোর্টার: / ৯৪ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

তিস্তা-পদ্মায় ব্যারেজ নির্মাণের ঘোষণা, পানি সংকট মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনার ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

বুধবার (২০ মে) গাজীপুরের টঙ্গীতে নবনির্মিত জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইউনিট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নদী ও খাল ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার। পানি সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “বর্ষার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর বিভিন্ন বাঁধ ও ব্যারাজ ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের নদ-নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে, যা কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই বাস্তবতায় নিজস্ব ব্যারাজ নির্মাণ সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের পরিকল্পনায় ইতোমধ্যে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ নদীতে ব্যারেজ নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তার মতে, বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে এসব প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইউনিট ভবনের কাজ ২০২৮ সালের শুরুতে শেষ হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী তালগাছের চারা রোপণ করেন এবং একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষাকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া।

এদিকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে এই ঘোষণাকে দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় একটি বড় কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ