• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

৪৪০টির বেশি স্থানে চালু ৫জি সেবা, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে সরকার

রিপোর্টার: / ১০৩ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

 

৪৪০টির বেশি স্থানে চালু ৫জি সেবা, পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে জোর দিচ্ছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের ৪৪০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সীমিত পরিসরে ৫জি সেবা চালু হয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৫জি প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে উপযুক্ত খাত চিহ্নিত করার কাজ চলছে। একইসঙ্গে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, স্পেকট্রাম পরিকল্পনা, ট্রান্সমিশন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ বৃদ্ধির উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদের সর্বশেষ অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তরে মন্ত্রী জানান, বাণিজ্যিকভাবে পূর্ণাঙ্গ ৫জি সেবা চালুর প্রক্রিয়া এখনও চলমান থাকলেও দেশের বিভিন্ন আবাসিক, শিল্প ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সীমিত পরিসরে সেবা চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজধানী ঢাকার আবাসিক এলাকা, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, রেস্তোরাঁসহ প্রায় ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান বর্তমানে ৫জি নেটওয়ার্কের আওতায় এসেছে। এছাড়া কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৪০০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৫জি সেবা চালু রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ৫জি প্রযুক্তির পূর্ণ সুবিধা পেতে শুধু নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণই যথেষ্ট নয়; কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, উৎপাদন ও শিল্পখাতসহ যেসব খাতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার হবে, সেসব খাতেরও প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন। এজন্য বাংলাদেশের বাস্তবতায় কোন কোন খাত ৫জি ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযোগী, তা নির্ধারণে কাজ চলছে।

তিনি জানান, ‘৫জি সক্ষমতার জন্য বিটিসিএল অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৪ জেলা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলোকে ব্যাকআপ অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের প্রায় ৭৯ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ৫জি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত স্পেকট্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) একটি স্পেকট্রাম রোডম্যাপ প্রণয়ন করেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে ৩.৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ডে নতুন স্পেকট্রাম উন্মুক্ত করা হবে।

তিনি আরও জানান, গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নতমানের ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সেবার মান নিশ্চিত করতে কোয়ালিটি অব সার্ভিস ও এক্সপেরিয়েন্সভিত্তিক মানদণ্ড চালু করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে জরিমানার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেলিটক দুটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এসব প্রকল্পের আওতায় ৩ হাজার ৪২০টি স্থানে উচ্চগতির ৪জি সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি টেলিটক ইতোমধ্যে ভয়েস ওভার এলটিই (ভিওএলটিই), ভয়েস ওভার ওয়াইফাই (ভিওওয়াইফাই) চালু করেছে এবং চারটি স্থানে পরীক্ষামূলক ৫জি সেবা প্রদান করছে।

মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে আরও ২ হাজার নতুন ৪জি সাইট এবং ১ হাজার ৬০০টি ৫জি সক্ষম সাইট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে সারা দেশে ইন্টারনেট সেবার গতি ও কভারেজ আরও বৃদ্ধি পাবে।

আন্তর্জাতিক সংযোগ শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল পিএলসি বর্তমানে সি-মি-উই-৪ এবং সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার ২২০ জিবিপিএস সক্ষমতা পরিচালনা করছে। বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সি-মি-উই-৬ সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্প চালু হলে আরও ৩০ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ যুক্ত হবে। এতে দেশের মোট আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ সক্ষমতা প্রায় ৩৮ হাজার জিবিপিএসে উন্নীত হবে, যা ভবিষ্যতে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ