
“খোলা চিঠি”
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিচার ব্যবস্থাপনার নিকট আকুল আবেদন
আমি গাজীপুর জেলার অসহায় সাংবাদিক সেলিম বলছি, আগামী ২১.০৬.২০২৬ ইং তারিখে গাজীপুর নারী ও শিশু আদালতে একটি মামলার চার্জ গঠন শুনানি বিষয়ে দিন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত যাহার মামলা নাম্বার ৪৪৬/২০২১।
সুত্র ৫৫/২০ মামলাকে কেন্দ্র করে উল্লেখ্য যে, এই মামলায় শুধু মাত্র আমার নাম দিয়ে আসামি করা হয়, যেখানে পিতার নাম নাই এবং ঠিকানা বিহীন।
তদন্তকালীন সময়ে এই মামলাটি আদালতের বিচারকের নির্দেশ অনুসারে গাজীপুর জেলা পিবিআই ইন্সপেক্টর মাহাবুব সাহেব তদন্ত সম্পূর্ণ করে প্রতিবেদন রিপোর্ট দাখিল করেন। সেখানে আমার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই মর্মে তদন্তে বেরিয়ে আসে।
উল্লেখিত ৪৪৬/২০২১ এর মামলার বাদী নুরুল ইসলাম শেখ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সেলিম নির্দোষ। তার পরেও তিনি তাহার প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের কর, তাহার প্রতিটি মামলায় সাক্ষী হিসেবে আমার সম্মতি ছাড়াই আমাকে জড়ানো চেষ্টা করে। আমি ওনার একাধিক মামলায় সাক্ষী না হওয়ার কারণে আমাকে ওনার প্রতিপক্ষের সাথে মিথ্যা মামলার আসামি করেন। দেখা যায় সেখানে ০৩ নং আসামি হিসেবে আমার নাম সংযুক্ত করে।
পরবর্তীতে নুরুল ইসলাম শেখ ওনার মহিলা কর্মচারী নিলুফাকে দিয়ে একটি চাঁদাবাজি ও ভাঙচুর মামলা করান সেখানে আমাকে ০৩ নং আসামি হিসেবে জড়িত করে। যাহার মামলা নাম্বার ২৫/২০২০জয়দেবপুর থানা।
নিম্ন আদালতে এই সমস্ত মামলা চলমান উল্লেখিত মামলার নাম্বার দিয়ে মহামান্য হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন যাহার নাম্বার ৯৮/৩৭/২০২১।
আদালত এই রিট পিটিশন মামলা তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন জেলা পিবিআই এসপি মহোদয়কে সেমতে তদন্ত শেষ করে ফাইনাল রিপোর্টও দাখিল করেন জেলা পিবি আই গাজীপুর। সেই রিপোর্টেও আমি নির্দোষ প্রমাণিত হই।
মামলার বাদী নুরুল ইসলাম শেখ রিপোর্টের উপর মহামান্য হাইকোর্টে পর পর দুই বার শুনানি করেন তারিখ ১৯/০৭/২০২৩ এবং পরবর্তী তারিখ ২৫/০৭/২০২৩ রায় এবং আদেশ দেন আদালত ২৭/০৮/২০২৩.সেখানেও আমি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছি।
নুরুল ইসলাম শেখ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে প্রভাব বিস্তার করে প্রতিপক্ষের সাথে ০৬নং আসামি করে মামলা দায়ের করেন যাহার মামলা নাম্বার ০৯/০৩/২০২৪ জয়দেবপুর থানা। এই মামলায় ০৪নং আসামি উচ্চ আদালত থেকে ইস্ট করে নিয়ে আসেন মামলার সকল কাজকর্ম বন্ধ নিম্ন আদালতে। এই মামলার ০২ নং আসামি নুরুল ইসলাম শেখকে বিবাদী করে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন প্রদান বিচারপতির বেঞ্চ বর্তমানে শুনানি অবস্থায় আছে আপিল বিভাগে।
উল্লেখিত সর্বমোট ০৩ টি মিথ্যা মামলায় আমাকে দীর্ঘ ১০২দিন জেল জুলুম নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছেন।
আরো ও উল্লেখ্য থাকে যে নুরুল ইসলাম শেখ মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে দিয়ে গাজীপুর সদর থানার একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন আবার ওকে বাদী করে গাজীপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওনার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একটি মার্ডার মামলা দায়ের করে। যাহার মামলা নাম্বার ৮৪৯/২৪ ধারা ৩০২/৩৪ আদালত তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন জেলা পিবিআইকে তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষ করে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করেন আদালতে রিপোর্টে দেখতে পেলাম আমি সহ সকল আসামি নির্দোষ।
নুরুল ইসলাম শেখ পিবিআই রিপোর্টের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী মনির হোসেনকে দিয়ে আদালতে নারাজি দেওয়ান আদালত আমলে নিয়ে পুনঃ তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য জেলা সিআইডিকে নির্দেশ প্রদান করেন জেলা সিআইডি তদন্ত শেষ করে ফাইনাল রিপোর্ট দাখিল করেন আদালতে আমি সহ সকল আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছে এইটার শুনানি আদালতের তারিখ আগামী ০৭/০৭/২০২৬ইং।