• শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বেইজিংয়ে শি জিনপিং–তারেক রহমান বৈঠক: বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যাশা বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন থাকবে বিশ্বস্ত বন্ধু’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শি জিনপিংয়ের আশ্বাস চীন ও মালয়েশিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কলাপাড়ায় ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে নারীকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, আদালতে মামলা *প্রধানমন্ত্রীর প্রথম মালয়েশিয়া সফর ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস, শ্রমবাজার উন্মুক্ত ও অবৈধ অভিবাসী বৈধকরণের প্রত্যাশা জনগণই বিএনপির শক্তি, ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ হবে না’—দিনাজপুরে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আর্মি স্টেডিয়ামে ক্ষুদে ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস, নান্দাইল দলের হারেও আবেগাপ্লুত তথ্য প্রতিমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে জনশক্তি রপ্তানিতে ধস, তিন মাসে বিদেশগামী কর্মী কমেছে ৪১ শতাংশ মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে’—পুলিশকে কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গবেষণা ও উদ্ভাবনভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে’—টেক্সটাইল সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন

বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন থাকবে বিশ্বস্ত বন্ধু’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শি জিনপিংয়ের আশ্বাস

রিপোর্টার: / ১৯ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

 

‘বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন থাকবে বিশ্বস্ত বন্ধু’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শি জিনপিংয়ের আশ্বাস

বেইজিং, নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

চীন সফরের শেষ দিনে শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব সাময়িক নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী হবে।

হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক রূপান্তর, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তা বাস্তবায়নে চীন পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের ব্রিকস (BRICS), সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) এবং আঞ্চলিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব (RCEP)-এ সম্পৃক্ত হওয়ার প্রচেষ্টার প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং।

এদিকে চীনের শীর্ষ নেতা ঝাও লেজির সঙ্গে বৈঠকেও বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতি চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পানি ও নদী ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, চীনা ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের ফলে কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগের পথ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি রেয়াতি ঋণ ও ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে চীন।

সফরের সার্বিক মূল্যায়নে হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক ও রূপান্তরমূলক অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ