• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন থাকবে বিশ্বস্ত বন্ধু’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শি জিনপিংয়ের আশ্বাস

রিপোর্টার: / ৯২ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

 

‘বাংলাদেশের উন্নয়নে চীন থাকবে বিশ্বস্ত বন্ধু’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শি জিনপিংয়ের আশ্বাস

বেইজিং, নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন বাংলাদেশের ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

চীন সফরের শেষ দিনে শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব সাময়িক নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ভিত্তিতে আরও শক্তিশালী হবে।

হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশের উন্নয়ন, অর্থনৈতিক রূপান্তর, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তা বাস্তবায়নে চীন পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের ব্রিকস (BRICS), সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) এবং আঞ্চলিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব (RCEP)-এ সম্পৃক্ত হওয়ার প্রচেষ্টার প্রতিও সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং।

এদিকে চীনের শীর্ষ নেতা ঝাও লেজির সঙ্গে বৈঠকেও বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রতি চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পানি ও নদী ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, চীনা ব্যবসায়ী ও শিল্পপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের ফলে কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্ভাব্য বিনিয়োগের পথ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি রেয়াতি ঋণ ও ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে চীন।

সফরের সার্বিক মূল্যায়নে হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই চীন সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক ও রূপান্তরমূলক অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ