
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শনিবার দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬-এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, একটি দেশের বিশাল তরুণ সমাজ যদি পরিবর্তনের সংকল্প করে, তবে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের তরুণরা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে দেশ পরিবর্তন করতে হয়। সেই পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত রেখে এবার রাষ্ট্র পুনর্গঠনে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ডেঙ্গু সমস্যা মোকাবিলায় আগামী তিন মাসের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা হয়তো শতভাগ সফল হতে পারব না, তবে অন্তত ৮০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিজের পরিবার ও সমাজকে সুস্থ রাখার দায়িত্ব সবার। রাস্তাঘাটে যারা অসচেতনভাবে ময়লা ফেলেন, তাদের নিরুৎসাহিত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিশাল জনশক্তির পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ২৩ লাখ স্কাউটস, ২২ হাজার বিএনসিসি সদস্য এবং শিক্ষার্থীসহ প্রায় আড়াই কোটি মানুষ রয়েছে। এই বিশাল জনগোষ্ঠী যদি ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনে কাজ করে, তবে কোনো বাধাই তাদের ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। তিনি উপস্থিত স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্দেশে বলেন, ময়লা-আবর্জনা জমে রোগজীবাণু তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত প্রিয়জনদের অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব।
অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বারবার তরুণ সমাজের সক্ষমতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের বিপ্লব প্রমাণ করেছে তরুণরা দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে সক্ষম। এখন সময় এসেছে সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার। তিনি উপস্থিত সবার কাছে দেশ গড়ার কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের অঙ্গীকার প্রত্যাশা করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উপস্থিত সবার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, আগামী তিন মাস আমরা এই যে ডেঙ্গুর সমস্যাটা, এই সমস্যাটা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করব। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হয়তো আমরা ১০০% পারবো না, কিন্তু অন্তত ৮০% আমরা পারবো।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কেন সাহায্য দরকার—আমি একটা হিসাব দিচ্ছি আপনাদেরকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যতটুকু জানি বাংলাদেশের স্কাউটস-এর সংখ্যা প্রায় ২৩ লক্ষ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এছাড়া প্রাথমিক স্কুল, মাদ্রাসা ছাড়াও সারাদেশে হাই স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এবার আপনারা আমাকে বলেন, এতগুলো মানুষ আমরা যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, কেউ কি ঠেকিয়ে রাখতে পারবে?’ এসময় সেখানে উপস্থিত সবাই সমস্বরে জবাব দেন—না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘আপনাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে দেশটা কিভাবে আমরা গড়ে তুলবো।