• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় গিয়ে ২৬ বছর বয়সী যুবকের শরীরে মিলল জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউব সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ: বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকারের ঝুঁকি দেখছে সংস্থাটি এক ভিসায় ঘুরে দেখা যাবে ছয় দেশ: আসছে জিসিসি গ্র্যান্ড ট্যুরিস্ট ভিসা ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে সরকার সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দুবাই বিমানবন্দর: আশাবাদী প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর লালবাগে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর সন্ধানে ভবনের মেঝে খুঁড়ে উদ্ধার অভিযান রাশিয়ায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে গিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন ময়মনসিংহের আল মামুন গুলশানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ ও গ্রেপ্তার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল আলজেরিয়া

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় গিয়ে ২৬ বছর বয়সী যুবকের শরীরে মিলল জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউব

রিপোর্টার: / ৪ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের দিল্লির রাজৌরি গার্ডেনের আরজি হাসপাতালে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে গিয়ে ২৬ বছর বয়সী এক যুবক এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার শরীরের ভেতরে জরায়ু এবং ফ্যালোপিয়ান টিউবের মতো গঠনের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন। ওই যুবক মূলত সন্তানহীনতার সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার বীর্যে কোনো শুক্রাণু পাওয়া যায়নি, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যাজুস্পার্মিয়া হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে তার অণ্ডকোষ দুটিও স্বাভাবিক অবস্থানে ছিল না।

উন্নত পরীক্ষার অংশ হিসেবে এমআরআই করার পর পেলভিসের ভেতরে জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের মতো নালির উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরবর্তীতে জেনেটিক পরীক্ষায় তার ক্রোমোজোম প্যাটার্ন ৪৬,XY হিসেবে শনাক্ত হয়। চিকিৎসকদের মতে, এটি পারসিস্টেন্ট মুলেরিয়ান ডাক্ট সিনড্রোম (PMDS) নামক একটি অত্যন্ত বিরল জন্মগত শারীরিক অবস্থা। এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের পুরুষ শারীরিক বৈশিষ্ট্য থাকলেও ভ্রূণ অবস্থায় তৈরি হওয়া মুলেরিয়ান ডাক্ট পুরোপুরি বিলীন হয় না, যার ফলে শরীরে নারী প্রজনন অঙ্গের কিছু অংশ থেকে যায়।

চিকিৎসাবিষয়ক নথিপত্র অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা কয়েকশরও কম। সাধারণত শৈশবেই অণ্ডকোষ নিচে না নামার সমস্যার চিকিৎসার সময় এটি ধরা পড়ে, তবে এই যুবকের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেক দেরিতে সামনে এল। আরজি হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই যুবকের দুটো অণ্ডকোষই দীর্ঘদিন শরীরের ভেতরে থাকায় গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ল্যাপারোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মুলেরিয়ান গঠনগুলো অপসারণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অণ্ডকোষ দীর্ঘদিন শরীরের ভেতরে থাকলে ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই বন্ধ্যাত্বের পাশাপাশি অণ্ডকোষের এই অস্বাভাবিক অবস্থানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। বর্তমানে ওই যুবককে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকরা বিস্তারিত পর্যালোচনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ