• সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় গিয়ে ২৬ বছর বয়সী যুবকের শরীরে মিলল জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউব

রিপোর্টার: / ৭৪ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের দিল্লির রাজৌরি গার্ডেনের আরজি হাসপাতালে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে গিয়ে ২৬ বছর বয়সী এক যুবক এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তার শরীরের ভেতরে জরায়ু এবং ফ্যালোপিয়ান টিউবের মতো গঠনের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন। ওই যুবক মূলত সন্তানহীনতার সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার বীর্যে কোনো শুক্রাণু পাওয়া যায়নি, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে অ্যাজুস্পার্মিয়া হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে তার অণ্ডকোষ দুটিও স্বাভাবিক অবস্থানে ছিল না।

উন্নত পরীক্ষার অংশ হিসেবে এমআরআই করার পর পেলভিসের ভেতরে জরায়ু ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের মতো নালির উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়। পরবর্তীতে জেনেটিক পরীক্ষায় তার ক্রোমোজোম প্যাটার্ন ৪৬,XY হিসেবে শনাক্ত হয়। চিকিৎসকদের মতে, এটি পারসিস্টেন্ট মুলেরিয়ান ডাক্ট সিনড্রোম (PMDS) নামক একটি অত্যন্ত বিরল জন্মগত শারীরিক অবস্থা। এই সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের পুরুষ শারীরিক বৈশিষ্ট্য থাকলেও ভ্রূণ অবস্থায় তৈরি হওয়া মুলেরিয়ান ডাক্ট পুরোপুরি বিলীন হয় না, যার ফলে শরীরে নারী প্রজনন অঙ্গের কিছু অংশ থেকে যায়।

চিকিৎসাবিষয়ক নথিপত্র অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে এ ধরনের ঘটনার সংখ্যা কয়েকশরও কম। সাধারণত শৈশবেই অণ্ডকোষ নিচে না নামার সমস্যার চিকিৎসার সময় এটি ধরা পড়ে, তবে এই যুবকের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেক দেরিতে সামনে এল। আরজি হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই যুবকের দুটো অণ্ডকোষই দীর্ঘদিন শরীরের ভেতরে থাকায় গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ল্যাপারোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মুলেরিয়ান গঠনগুলো অপসারণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, অণ্ডকোষ দীর্ঘদিন শরীরের ভেতরে থাকলে ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। তাই বন্ধ্যাত্বের পাশাপাশি অণ্ডকোষের এই অস্বাভাবিক অবস্থানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। বর্তমানে ওই যুবককে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকরা বিস্তারিত পর্যালোচনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ