• শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৭ নভেম্বর: রাজনৈতিক ঐক্য ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় কলাপাড়ায় নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার মালামাল চুরি, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ শিশু-কিশোরদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ব্যথাজনিত সমস্যায় চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ দিয়ে আলোচনায় হাকিম মাওলানা আব্দুল হান্নান কলাপাড়া বেকারি মালিক সমিতির কমিটি গঠন, সভাপতি আল আমিন সম্পাদক হারুন কলাপাড়ায় “গ্রাম আদালত” বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জনগণের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রত্যাশায় সংবিধান সংশোধনের আহ্বান চিফ হুইপের মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের কুইক রেন্টালের পরিবর্তে সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর, সৌরবিদ্যুতে ১,৫০০ কোটি টাকার তহবিল দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে সরকার

রিপোর্টার: / ৫৫ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের সঙ্গে অতীতে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বর্তমানে পর্যালোচনা করছে সরকার। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, এই পর্যালোচনার ফলাফল খুব দ্রুতই প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সরকারদলীয় অন্যান্য হুইপরাও উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সংসদের এই অধিবেশন সমাপ্ত হয়েছে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের চুক্তির আওতায় বন্ধুরাষ্ট্রের জাহাজ চলাচল এবং সেই চুক্তি বাতিলের সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে চিফ হুইপ বলেন, ভারতের সঙ্গে করা প্রতিটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকই এখন পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা ফলাফল শিগগিরই জানানো হবে।

সংসদের কার্যক্রম সম্পর্কে চিফ হুইপ জানান, নয় কার্যদিবস স্থায়ী হওয়া এই তৃতীয় অধিবেশনে মোট ছয়টি বিল উত্থাপন ও পাস হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন বিধিতে মোট ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নিজে ১৫টি প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পরপর সংসদের অধিবেশন বসার যে ধারাবাহিকতা, তা বজায় রেখেই এই অধিবেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী অধিবেশনও একই ধারায় পরিচালিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে ১৮(ক) ধারা যুক্ত করা এবং পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে তা বাদ দিয়ে বিল পাসের বিষয়ে জানতে চাইলে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিষয়গুলোকে একসঙ্গে মিলিয়ে দেখা সমীচীন হবে না। তিনি আরও বলেন, দেশের আর্থিক অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই সরকার ওই উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্টদের আগ্রহ না থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ