• রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে আখতারুজ্জামানকে মুক্তি দিন: গোলাম পরওয়ার সৌদির তেল স্থাপনায় হুথিদের হামলা, পাল্টা সানায় বিমান হামলা মদিনার বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হুতিদের ড্রোন হামলার নিন্দা বাংলাদেশের মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সামরিক শক্তি ও প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন প্রতারণা করলে বই ছাপার কাজ আর নয়: শিক্ষামন্ত্রী শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বর্ণ ও মালামালসহ আটক ৭ এক রাতেই তিন দফা ভূমিকম্পে কাঁপল সীমান্ত ও বাংলাদেশ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে ব্যর্থতা: পদত্যাগ করলেন টেনেসির কারাপ্রধান সৌদিতে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: আহত এক রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে ঢাকার ৪ বারে এনবিআরের একযোগে অভিযান

মধ্যপ্রাচ্যে আরও মার্কিন সামরিক শক্তি ও প্যাট্রিয়ট মিসাইল মোতায়েন

রিপোর্টার: / ৪ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই সৌদি আরব ও কাতারে নতুন করে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ইরানের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা সুরক্ষায় অতিরিক্ত একটি প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি পাঠানো হয়েছে। একই উদ্দেশ্যে কাতারের একটি প্রাকৃতিক গ্যাস স্থাপনার নিরাপত্তার খাতিরে ওয়াশিংটন সেখানেও একটি প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি মোতায়েন করেছে। বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়ট সিস্টেমের ব্যাপক চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মজুত সীমিত হলেও এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করছে।

সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিজস্ব আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় তারা মার্কিন সহায়তার ওপর নির্ভর করছে। অতীতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী বিভিন্ন অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলো বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হয়েছিল। বিশেষ করে ইয়েমেনের হুথি যোদ্ধা এবং ইরাকভিত্তিক শিয়া মিলিশিয়াদের তরফ থেকে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির বিষয়টি রিয়াদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সামরিক এই মোতায়েনের পাশাপাশি ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেহরানের ওপর কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাম্প্রতিক বক্তব্যে ইরানে ফের হামলার সম্ভাবনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি সতর্ক করে বলেন, তেহরান যদি একটি ‘ন্যায্য চুক্তি’ করতে ব্যর্থ হয়, তবে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে।

কূটনৈতিক হুঁশিয়ারির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গত রোববার ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী যাত্রা শুরু করেছে। এর বাইরে প্রায় ১০ হাজার মেরিন সেনার সমন্বয়ে গঠিত ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপও সোমবার রওনা হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন অবস্থান করছে। নতুন রণতরীগুলো পৌঁছালে এই অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর সংখ্যা তিনে দাঁড়াবে, যা ২০২৬ সালের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ সামরিক উপস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ