• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

কোটি টাকার ব্রীজ পার হতে হয় কাঠের সাঁকো দিয়ে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

রিপোর্টার: / ২২৪ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৩

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কোটি টাকার ব্রিজ পার হতে হয় কাঠের সাঁকো দিয়ে। উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতি বাজার ও মহল্লাপাড়া যাতায়াতের ব্রীজের কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়কের কাজ অসমাপ্ত রয়েছে। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর ব্রীজের দুই প্রান্তে কাঠের সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছে এলাকাবাসী। এতে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। ব্রীজের দুই প্রান্তে মাটি ভরাটের কাজ শেষ করে ব্রীজটি জনসাধারনের চলাচলের উপযোগী করে দেয়ার দাবী জানান স্থানীয়রা। এদিকে ব্রীজের সংযোগ স্থলের জায়গা নিয়ে স্থানীয়দের সাথে জটিলতা থাকায় মাটি ভরাটের কাজ আটকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
উপজেলা প্রকৌশলী নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা যায়, লালুয়া ইউনিয়নের বানাতি বাজার সংলগ্ন এ ব্রীজটির ব্যয় নির্ধারন করা হয়েছে ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা। ২১ সালের মে মাস থেকে ২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এর সময়সীমা নির্ধারন করা হয়। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারনে এখন পর্যন্ত এর কাজ সম্পূর্ণ শেষ হয়নি। এ ব্রীজটি দিয়ে ইউনিয়নের মহল্লাপাড়া, চিঙ্গুড়িয়া, দশকানী, ছোনখলা,
চরপাড়া, পশরবুনিয়া ও উত্তর লালুয়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করে থাকেন। এছাড়া পায়রা কর্তৃপক্ষ ও শের-ই-বাংলা নৌঘাটির লোকজনদেরও এ ব্রীজটি ব্যবহার করতে হয়। অথচ এ ব্রীজের সংযোগ সড়কের মাটি ভরাটের কাজ অসমাপ্ত থাকায় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সকলকে। এ নিয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয়রা বিপরীতমূখী অবস্থানে রয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী অফিস ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বলছে জমির মালিকরা সংযোগ স্থলের জমি ছাড়তে অনিহা দেখাচ্ছে। তারা জমি ছেড়ে দিলে আমরা কাজ শেষ করতে পারি। এদিকে জমির মালিকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানান, আমাদের ক্ষতিপূরন দিলেই জমি ছেড়ে দিবো। এমনকি তাদের কিছু ক্ষতিপূরন দেয়ার আশ্বাস দিয়ে একমাস সময় চেয়েছিলো পটুয়াখালীর পিডি (প্রযেক্ট ডিরেক্টর)। কিন্তু দুইমাস চলে গেলেও এখন পর্যন্ত তারা কোন খবর নেইনি বলে ওই জমির একাংশের মালিক হিরন মৃধা জানান। দৃশ্যমান একটি ব্রীজ থাকলেও তার সুফল ভোগ করতে পারছেন না কেহ। এ সাঁকো দিয়েই মটরসাইকেল, অটোরিক্সা ও ভ্যানগাড়ীসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন অত্যান্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
স্থানীয় একাধিক পথচারী বলেন, জমি নিয়ে যে বিরোধ ছিলো শুনেছি তার সমাধান হয়েছে। তাহলে কি কারনে ব্রীজের সংযোগ স্থলে মাটি দিচ্ছে না সে বিষয়টি আমাদের বোধগম্য নয়। অতিদ্রুত ব্রীজের কাজ শেষ করে জনগনের চলাচলের উপযুক্ত করে দিবে এমনটাই প্রত্যাশা করেন তারা। লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রীজটি অচল অবস্থায় পরে রয়েছে। সাধারন মানুষের ভোগান্তি ও দূর্ভোগের কথা চিন্তা করে ব্রীজের দুই প্রান্তে কাঠের সাঁকো সংযুক্ত করে কোন রকমে চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে জনগনের স্বার্থে ব্রীজটির সংযোগ স্থলের
মাটির কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
উপজেলা প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল বারী পূর্ণ বলেন, জায়গা নিয়ে জমির মালিকদের সাথে জটিলতা থাকায় ব্রীজের কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে। তবে, তারা
জমি ছেড়ে দিলে আমরা দ্রুত কাজ শেষ করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ