• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

সাগরে নিষেধাজ্ঞার ১৮ দিনেও চাল পাননি তালতলীর জেলেরা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

মোঃ মিঠু সরদার / ২২৭ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ জুন, ২০২৩

নিষেধাজ্ঞার ১৮ দিনেও চাল পাননি জেলেরা। সাগরে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ ধরায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন উপকূলের জেলেরা। আর তাই তালতলী উপজেলার ৮ হাজার ৭২১ জেলের মধ্যে ৫ হাজার ২ শত জেলের চাল বরাদ্দে বিশেষ ভিজিএফ কর্মসূচির চাল পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। চাল না পেয়ে কষ্টে জীবন পার করছে তারা ও তাদের পরিবার। গত ২০শে মে থেকে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় নিবন্ধিত ৫২০০ জেলেকে গড়ে ৫৬ কেজি করে চাল দেয়ার কথা। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার ১৮ দিন পেরিয়ে গেলেও সেই চাল পাননি জেলেরা। এতে চরম সংকটে দিন পার করছে জেলেপল্লীর জেলরা। এতে অভাব-অনটন আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করছেন জেলেরা।
বিকল্প কর্মসংস্থান না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর দিন কাটছে তাদের। এফবি আল্লাহ’র দানের মালিক রুবেল বলেন, আমার এই ট্রলারে ২১ জন স্টাফ আছে, তার ভিতরে অনেকেই ব্যাংক ঋণে জর্জড়িত মাছ ধরে সেই ঋণ পরিশোধ করে। এখন এই ৬৫ দিনে তারা দিশাহারা হয়ে পড়েছে মাছ ধরতে না পারলে তাদের এই ঋণ কীভাবে পরিশোধ করবে।
তাই এই জেলেদের চালটা দ্রুত দিয়ে দিলে কিছুটা হলেও তাদের কষ্ট দূর হবে। জেলে সুমন হাওলাদার বলেন, ‘মোগো দেশে আইয়া এই সুযোগে ভারতের জাইল্লারা মাছ দইরা লইয়া যায় আর মোরা না খাইয়া থাহি মোগো কষ্ট দ্যাহার কেউ নাই। ঘরে চাউল নাই। গুরাগারা লইয়্যা কষ্ট হরি। সরকার চাউল দেছে। হ্যা এহনো পাই নাই। তাই গুরাগারা লইয়া খাইয়া পইরা বাইচা থাকার জন্যে দ্রুত চাউল দেয়ার দাবি হরি।’
তালতলী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. জামাল হোসাইন বলেন, আমি তো চালের ডিওলেটার ছেড়ে দিয়েছি। এখন মৎস্য কর্মকর্তার বিষয়, তারা যদি চাল না দেয় আমি কি করতে পারি। তবে আমি খবর নিয়ে দেখছি এখনো জেলেদের চাল বিতরণ করা হলো না কেনো। তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, গভীর সমুদ্রে যেসব জেলেরা মাছ শিকার করে একমাত্র তারাই এই চাল পাবে। প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে তাদের তালিকা তৈরি করে খুব শিগগির জেলেদের মাঝে চাল বিতরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ