• বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সীমা নির্ধারণে আহ্বান তথ্যমন্ত্রী স্বপনের ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবি, নিহত অন্তত ৮০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার কলাপাড়ায় গরু চরানো নিয়ে সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১ কুয়াকাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক আটক,, প্রশাসনে বড় রদবদল: চার মন্ত্রণালয়ে এক বছরের চুক্তিতে নতুন সচিব নিয়োগ রেমিট্যান্সে ভর করে ফের চাঙ্গা রিজার্ভ, ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে উত্তরণ কালিগঞ্জে এমপি রবিউল বাশারকে সংবর্ধনা, রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের আহ্বান হাজারীবাগে মেলা প্রতারণা: এক নারী উদ্যোক্তা নয়, সকল অংশগ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত

কমলনগরে ছাত্র নির্যাতনের মামলায় চর লরেঞ্চ উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে কারাগরে প্রেরন/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

হাবিবুর রহমান।। / ১৮৭ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৩

হাবিবুর রহমান,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে এক ছাত্রকে নির্যাতনের পর ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়ার ঘটনায় প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক দোলন ও সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিমকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী অঞ্চল কমলনগর আদালতের বিচারক তারেক আজিজ এ নির্দেশ দেন।

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নাজির ইয়াসিন আরাফাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রকে নির্যাতনের পর টিসি দেওয়ার ঘটনায় ওই দুই শিক্ষক উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী অঞ্চল কমলনগর আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন। আদালতের বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার ফারুক কমলনগরের চরলরেন্স উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও রেজাউল একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

মামলার সূত্র জানায়, মামলার বাদী আহসান উল্যাহ উপজেলার চরলরেন্স ইউনিয়নের চরলরেন্স গ্রামের বাসিন্দা। তার ছেলে ইয়াছিন আরাফাত সজল চরলরেন্স উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। প্রতিদিনের মতো ১ জুন সকালে সজল বিদ্যালয়ে যায়। পরে সহকারী শিক্ষক রেজাউল তাকে প্রধান শিক্ষক দোলনের কক্ষে নিয়ে যান। এসময় বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির কথা জানতে চাওয়া হয় তার কাছে। এতে সে চুপ করে থাকে। একপর্যায়ে শিক্ষক দোলন ও রেজাউল তাকে বেত দিয়ে বেধড়ক পেটায়। পরে তাকে বিদ্যালয় ত্যাগের ছাড়পত্র দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। তার গালে, মাথায় ও পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন ছিল। সজলের বোনকে শিক্ষক দোলনের ভাতিজার সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এতে ১০ জুলাই আহসান উল্যাহ বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলি অঞ্চল কমলনগর আদালতে মামলা দায়ের করেন।

বাদীর আইনজীবী একে হুমায়ুন কবীর বলেন, মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারী পরোয়ানার নির্দেশ দেন আদালত। এরপরই আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন। মেয়াদ শেষে তারা আত্মসমর্পন করে আদালতে জামিন আবেদন করেন। জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ