• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কলাপাড়ায় জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ঘিরে প্রস্তুতি সভা মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি, রিজভী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব: সাতক্ষীরায় বিএনপির আনন্দ মিছিল ছাত্রীদের সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়তে চায় সরকার: মাহ্দী আমিন সনদ নয়, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিই হোক উচ্চশিক্ষার লক্ষ্য: আমির খসরু নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, এক মন্ত্রীর দায়িত্বে পরিবর্তন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অপরাধ দমনে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান কালিগঞ্জের নবাগত ওসি ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভোটে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল উচ্চঝুঁকির ১৭ বালাইনাশকে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বাজারে ১,৭৪১ ব্র্যান্ড

কমলনগরে আনসার ভিডিপির কর্মকর্তা শাহিন আক্তারের নির্বাচনী ডিউটিতে অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।। 

হাবিবুর রহমান।। / ২২৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৪

হাবিবুর রহমান,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা আনসার ও ভিডিপির কর্মকর্তা শাহিন আক্তার ও প্রশিক্ষক নিজাম উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে আনসারদের নির্বাচনী ডিউটিতে অর্থবাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ডিউটিতে দেওয়ার নাম করে আনসার সদস্যদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অভিযুক্তরা। বেশ কয়েকজন আনসার সদস্যের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

আনসার সদস্যরা জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ আনসারদের ডিউটি দিতে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত দলনেতার মাধ্যমে দিতে হয়। টাকা না দিলে যাচাই-বাছাইয়ে চূড়ান্ত হলেও ডিউটিতে নিচ্ছেন না কর্মকর্তারা। বিগত কয়েক বছর নির্বাচনকালীন ডিউটিতে অফিসের বিভিন্ন খরচ দেখিয়ে আনসার কর্মকর্তারা সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে এভাবে টাকা হাতিয়ে নেন।

বরাদ্দ অনুযায়ী এবারের নির্বাচনে দুদিনের ডিউটির জন্য প্রত্যেক আনসার সদস্য, ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পেতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন আনসার সদস্য বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ডিউটিতে যাচাই-বাছাই করা

তালিকায় আমার নাম থাকলেও দলনেতা মো. হোসেন ১ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা কেন জানতে চাইলে মো. হোসেন বলেন, টাকা না দিলে ডিউটিতে নেওয়া হবে না। পরে টাকা দিইনি, তাই ডিউটিও পাইনি। উপজেলা প্রশিক্ষক মো. নিজাম উদ্দিনকে বিষয়টি জানানোর পর কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো অফিস থেকে আমাকে বের করে দেন।’

অভিযোগের বিষয়ে দলনেতা মো. হোসেন। বলেন, ‘কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত নই। তবে অফিসে নানা রকম খরচ দেখিয়ে সদস্যদের কাছ থেকে কিছু টাকা নেওয়া হয়।’ অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা

আনসার ও ভিডিপির প্রশিক্ষক নিজাম উদ্দিন ফকির বলেন, ‘আনসার সদস্যদের ডিউটি দিতে অর্থবাণিজ্যের বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে।’

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শাহিন আক্তার বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনসার সদস্যরা অর্থ লেনদেনের বিষয়টি অবগত করেছেন। এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’

জেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সোহাগ পারভেজ বলেন, এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ