• বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রমজান–ঈদ ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়,,, গার্ড অব অনারে বরণ, ১৮০ দিনের রোডম্যাপ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দেশের আকাশে রমজানের চাঁদ: বৃহস্পতিবার থেকে শুরু পবিত্র সিয়াম সাধনা,,, রমজান ঘিরে বিদ্যুৎ, বাজার ও সুশাসনে কঠোর বার্তা: প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বৈঠকে অগ্রাধিকার নির্ধারণ,,, বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পরিবারসহ দোয়া-মোনাজাতে অংশগ্রহণ,৷ মাহফুজ আলম–এর মন্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড়,,, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতৃত্বে জামায়াত: শফিকুর রহমান নেতা, তাহের উপনেতা, নাহিদ হুইপ,,, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর নেতৃত্বে নতুন সরকার,,, তারেক রহমান-এর প্রথম কর্মদিবস: জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা, বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠক,,, টিকাটুলীতে সিএনজি চাপায় যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ডিটেকটিভ সার্জেন্ট নিহত, ওয়ারী থানায় মামলা,,,

অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে, প্রধান শিক্ষক,প্রসংশাপত্র ও রেজিষ্ট্রেশনে মির্জাগঞ্জে।

রিপোর্টার: / ৫৮৯ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জুলহাস মিয়া :পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রসংশাপত্র ও রেজিষ্ট্রেশনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোঃ জুলহাস মিয়া মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারেফ হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির কোন অনুমতি নেই। অথচ প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন নিজ ক্ষমতাবলে বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই নবম শ্রেনীতে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি করান এবং রেজিষ্ট্রেশন ও পরিক্ষার দেয়ার ব্যবস্থা করেন অর্থের বিনিময়ে। ওই শিক্ষার্থীদের থেকে রেজিষ্ট্রশন বাবদ জন প্রতি ৩ হাজার টাকা করে আদায় করেন প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ন শিক্ষার্থীদের প্রসংশাপত্র দেওয়া বাবাদ ৫ শত টাকা করে আদায় করছেন।
মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন,উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রসংশাপত্র বাবদ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেয় তাই আমিও নেই। বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউএনও স্যার। আমি তাঁর কাছেও গিয়ে বলতে পারবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেনীতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হচ্ছে তা আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি উপজেলা মাধ্যমিক অফিসারকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নিদের্শ দেয়া হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুদ্দিন ওয়ালীদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ