• শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হাঁটুর চোট নিয়েও হ্যাটট্রিক—সান্তোসকে অবনমনসঙ্কট থেকে টেনে তুললেন নেইমার হিমালয় অঞ্চলে পানি ন্যায্যতা ও আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রিজওয়ানা হাসানের,, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের লড়াইয়ে তরুণদের নেতৃত্বের ঐতিহ্য তুলে ধরলেন আইন উপদেষ্টা,, খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া, লন্ডন যাত্রা রোববারে নির্ভর চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তে,, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আল্টিমেটাম, মহাসমাবেশে সরকারি কর্মচারীদের ঘোষণা,, খালেদা জিয়াকে দেখতে ঢাকায় নেমেই এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান বেগম জিয়ার লন্ডন যাত্রার তারিখ পরিবর্তন, রোববারে যাবেন শেখ হাসিনার ফেরত পাঠানোতে ভারতের নীরবতা, জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও ৩৬ আসনে প্রার্থী ঘোষণা, মোট ২৭৩ আসনে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলো বিএনপি কারিগরি জটিলতায় কাতারের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা অনিশ্চিত

অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে, প্রধান শিক্ষক,প্রসংশাপত্র ও রেজিষ্ট্রেশনে মির্জাগঞ্জে।

রিপোর্টার: / ৫৬১ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জুলহাস মিয়া :পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রসংশাপত্র ও রেজিষ্ট্রেশনে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মোঃ জুলহাস মিয়া মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারেফ হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেনীর ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তির কোন অনুমতি নেই। অথচ প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন নিজ ক্ষমতাবলে বোর্ডের অনুমতি ছাড়াই নবম শ্রেনীতে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি করান এবং রেজিষ্ট্রেশন ও পরিক্ষার দেয়ার ব্যবস্থা করেন অর্থের বিনিময়ে। ওই শিক্ষার্থীদের থেকে রেজিষ্ট্রশন বাবদ জন প্রতি ৩ হাজার টাকা করে আদায় করেন প্রধান শিক্ষক। এছাড়াও এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ন শিক্ষার্থীদের প্রসংশাপত্র দেওয়া বাবাদ ৫ শত টাকা করে আদায় করছেন।
মজিদবাড়িয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন,উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রসংশাপত্র বাবদ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেয় তাই আমিও নেই। বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউএনও স্যার। আমি তাঁর কাছেও গিয়ে বলতে পারবো।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. সরোয়ার হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেনীতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হচ্ছে তা আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি উপজেলা মাধ্যমিক অফিসারকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নিদের্শ দেয়া হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী সাইফুদ্দিন ওয়ালীদ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ