• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

জামায়াত আমিরকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন মির্জা ফখরুল,,,,,দৈনিক ক্রাইম বাংলা

রিপোর্টার: / ১৫০ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যখন রাজনীতির মঞ্চ উত্তপ্ত, ঠিক সেই সময় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ চলাকালে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাকে দেখতে শনিবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, দিনভর কর্মসূচি শেষে মির্জা ফখরুল রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে জামায়াত আমিরকে দেখতে যান। এর আগে বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে দুই দফায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ডা. শফিকুর রহমান। বিকেল ৫টার কিছু পর বক্তৃতা শুরু করলেও ৫টা ২০ মিনিটে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে যান তিনি। সহকর্মীদের সহায়তায় উঠে দাঁড়ালেও আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং শেষে বসা অবস্থায় বক্তৃতা চালিয়ে যান।

সমাবেশের ওই মুহূর্তে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আল্লাহ আমার হায়াত যতক্ষণ রেখেছেন, তার এক মিনিটও বেশি থাকতে পারব না। সুতরাং এটা নিয়ে আপনারা কেউ বিচলিত হবেন না।” এরপর তিনি “আল্লাহু আকবার, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ” বলে বক্তৃতা শেষ করেন।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জানান, গরমের কারণে ডা. শফিকুর রহমান সামান্য অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসকদের পরামর্শে বক্তৃতা সংক্ষিপ্ত করেন। পরে প্রায় ১০ মিনিট ধরে তিনি মঞ্চের পাশে বসে বক্তব্য দেন। ওই সময় মঞ্চে একজন চিকিৎসকও তার পাশে ছিলেন।

এ পরিস্থিতিতে বিএনপি মহাসচিবের হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সরাসরি কোনো যৌথ কর্মসূচি না থাকলেও জাতীয় রাজনীতিতে দুই দলের অঘোষিত কৌশলগত যোগাযোগ এবং সহমর্মিতার প্রকাশ এই সফরে প্রতিফলিত হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ