• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার আমিনবাজারের বদলে যাওয়া চেহারা দেখে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, দেশজুড়ে সবুজায়নের আহ্বান জেডআরএফের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বাউফলে সরকারি যাত্রীছাউনি দখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার অভিযোগ/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।।

রিপোর্টার: / ১৬২ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

এম জাফরান হারুন::

পটুয়াখালীর বাউফলের কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর চৌরাস্তার সরকারি যাত্রীছাউনি দখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. কাওছার যাত্রীছাউনিটি দীর্ঘ দিন ধরে নিজে দখল করে রেখেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে কাওছার যাত্রীছাউনির ভেতরের বেঞ্চ খুলে তার দোকানের কাস্টমারদের বসানোর জন্য দোকানের দিকে ফিরিয়ে দেন। শুধু তাই নয়, যাত্রীদের জন্য নির্মিত ছাউনির টিনের চালও তিনি খুলে নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে স্থানীয় যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রীছাউনিটি নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এটি সম্পূর্ণভাবে কাওছারের দখলে চলে গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ যাত্রীছাউনির সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. কাওছার বলেন, “যাত্রীছাউনিটি আমার ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জায়গায়। ইউএনও স্যারের সঙ্গে কথা বলে আমি ওই জায়গাতেই যাত্রীছাউনি ঘুরিয়ে দিয়েছি।”

কেশবপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান শাজাহান গাজী বলেন, “যাত্রীছাউনি ভেঙে ঘুরিয়ে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করার কোনো নিয়ম নেই। ওখানে হাত দেওয়ারই কোনো সুযোগ নেই। ইউএনও স্যার অনুমতি দিয়েছেন বলে আমার মনে হয় না।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বলেন, এব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ