• শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সীমা নির্ধারণে আহ্বান তথ্যমন্ত্রী স্বপনের ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবি, নিহত অন্তত ৮০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার কলাপাড়ায় গরু চরানো নিয়ে সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১ কুয়াকাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক আটক,, প্রশাসনে বড় রদবদল: চার মন্ত্রণালয়ে এক বছরের চুক্তিতে নতুন সচিব নিয়োগ রেমিট্যান্সে ভর করে ফের চাঙ্গা রিজার্ভ, ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে উত্তরণ কালিগঞ্জে এমপি রবিউল বাশারকে সংবর্ধনা, রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের আহ্বান হাজারীবাগে মেলা প্রতারণা: এক নারী উদ্যোক্তা নয়, সকল অংশগ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে চালিয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ ইটভাটা পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়। ।

রিপোর্টার: / ৬৭২ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

মোঃশাহাবুদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার ঃপটুয়াখালীর, কলাপাড়া উপজেলায় অধিকাংশ ইটভাটাই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে  চালিয়ে যাচ্ছে ইট তৈরীর কাজ। সারা বিশ্ব যখন পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন  তখনই বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে। তখনই বাংলাদেশর
বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই, প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ইট পোড়ানোর কাজ।
ইটভাটার মালিক গন পরিবেশ বিপর্যয় কে তোয়াক্কা না করে।অধিক লাভের আশায় জ্বালানি কাঠ ও কয়লা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ইটভাটা গুলো। কাঠ ও কয়লার দূষণের শিকার  অত্র এলাকার পরিবেশ। অনুমোদনবিহীন ইটভাটার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার একর কৃষি ফসলি জমি।ও কৃষির উৎপাদন হারিয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, অত্র এলাকার ইটভাটাগুলো ইট ও মাটি স্থানান্তর করার কারণে এলাকার কাঁচা ও পাকা রাস্তাগুলি সাধারণ মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
ইটভাটার মালিক গন বড় ধরনের প্রভাবশালী হওয়ায়  তাদের বিরুদ্ধে কোন সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহসও পাচ্ছে না।আবার কিছু কিছু ইটভাটার মালিক গন। পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম।এতে এলাকার পরিবেশ দূষণ ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শিকার হয়ে দাঁড়ায়। গাছপালা ও ফল-ফলাদি থেকে শুরু করে সবকিছুই যেন বিলুপ্তির পথে।বিশ্ব যখন করণা মহামারীরতে
স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।তখনই কিছু ইটভাটার মালিকরা অসাধু ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে পরিবেশ দূষণকারী ইট পোড়ানোর কাজ। এতে মানুষের
শ্বাসকষ্ট সহ বিভিন্ন রোগের উপদ্রব ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও জ্বালানি কাঠ ও কয়লার দূষণের কারণে  অনেক গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশুর  স্বাস্থ্যর ক্ষতির আশঙ্কা দেখা যায়। এব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল  বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান সরকারের সাথে মুঠোফোনে (০১৭১৪ ৫২৯৭৯৭)এই নাম্বারে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান, যে সকল ইটভাটাগুলো পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করে তাদের বিরুদ্ধে আপনারা সংবাদ প্রকাশ করুন। এবং তিনি বলেন এদেরকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পটুয়াখালী,  শেখ কামাল মেহেদী সংবাদকর্মীদের মুঠোফোনে জানান,০১৬৮৮ ৭২৯৯২০ নাম্বারে যেসকল ইটভাটাগুলো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন। ধারাবাহিক সংবাদের আজকের ১ম পর্ব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ