• শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-৮ এ ধানের শীষের জয়: ৫ হাজার ৬৯৬ ভোটে এগিয়ে মির্জা আব্বাস,,,, ঢাকা-৮ আসনে বাতিল ভোট পুনঃগণনার দাবি: ফলাফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ এনসিপির,,,, শান্তিপূর্ণ ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা: সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাপানের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ,,, রয়টার্সের বিশ্লেষণ: প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,,, ৪২ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্র, অর্ধেক ঝুঁকিপূর্ণ—ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা,,, ভয় নয়, সাহস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যান—১৭ বছরের নীরবতার জবাব দেবে ব্যালট: প্রধান উপদেষ্টা,,, কলাপাড়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে রাজনীতিবিদদের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের জমজমাট বিতর্ক,,, কলাপাড়ায় গোলগাছের রসে তৈরি ভিন্নস্বাদের গুড়, বাড়তি আয়ের নতুন সম্ভাবনা,,, গ্রামেই মিলছে দ্রুত ন্যায়বিচার: কলাপাড়ার ধুলাসার ইউনিয়নে ২৩ মাসে ১১২ মামলা নিষ্পত্তি,,,

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে চালিয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ ইটভাটা পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়। ।

রিপোর্টার: / ৬৬৩ পঠিত
আপডেট: সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০

মোঃশাহাবুদ্দিন স্টাফ রিপোর্টার ঃপটুয়াখালীর, কলাপাড়া উপজেলায় অধিকাংশ ইটভাটাই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে  চালিয়ে যাচ্ছে ইট তৈরীর কাজ। সারা বিশ্ব যখন পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন  তখনই বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে। তখনই বাংলাদেশর
বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই, প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ইট পোড়ানোর কাজ।
ইটভাটার মালিক গন পরিবেশ বিপর্যয় কে তোয়াক্কা না করে।অধিক লাভের আশায় জ্বালানি কাঠ ও কয়লা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ইটভাটা গুলো। কাঠ ও কয়লার দূষণের শিকার  অত্র এলাকার পরিবেশ। অনুমোদনবিহীন ইটভাটার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার একর কৃষি ফসলি জমি।ও কৃষির উৎপাদন হারিয়ে যাচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, অত্র এলাকার ইটভাটাগুলো ইট ও মাটি স্থানান্তর করার কারণে এলাকার কাঁচা ও পাকা রাস্তাগুলি সাধারণ মানুষের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
ইটভাটার মালিক গন বড় ধরনের প্রভাবশালী হওয়ায়  তাদের বিরুদ্ধে কোন সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করার সাহসও পাচ্ছে না।আবার কিছু কিছু ইটভাটার মালিক গন। পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম।এতে এলাকার পরিবেশ দূষণ ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শিকার হয়ে দাঁড়ায়। গাছপালা ও ফল-ফলাদি থেকে শুরু করে সবকিছুই যেন বিলুপ্তির পথে।বিশ্ব যখন করণা মহামারীরতে
স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।তখনই কিছু ইটভাটার মালিকরা অসাধু ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে পরিবেশ দূষণকারী ইট পোড়ানোর কাজ। এতে মানুষের
শ্বাসকষ্ট সহ বিভিন্ন রোগের উপদ্রব ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও জ্বালানি কাঠ ও কয়লার দূষণের কারণে  অনেক গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশুর  স্বাস্থ্যর ক্ষতির আশঙ্কা দেখা যায়। এব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তর বরিশাল  বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান সরকারের সাথে মুঠোফোনে (০১৭১৪ ৫২৯৭৯৭)এই নাম্বারে যোগাযোগ করলে, তিনি জানান, যে সকল ইটভাটাগুলো পরিবেশ দূষণ সৃষ্টি করে তাদের বিরুদ্ধে আপনারা সংবাদ প্রকাশ করুন। এবং তিনি বলেন এদেরকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক পটুয়াখালী,  শেখ কামাল মেহেদী সংবাদকর্মীদের মুঠোফোনে জানান,০১৬৮৮ ৭২৯৯২০ নাম্বারে যেসকল ইটভাটাগুলো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই অবৈধভাবে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন। ধারাবাহিক সংবাদের আজকের ১ম পর্ব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ