• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব

জ্বালানির দামে চাপ: নিত্যপণ্যে অস্থিরতা, সবজি- মাছের দাম বাড়লেও কমেছে মুরগি

রিপোর্টার: / ১০৫ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

জ্বালানির দামে চাপ: নিত্যপণ্যে অস্থিরতা, সবজি- মাছের দাম বাড়লেও কমেছে মুরগি

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের বাজারে। পাইকারি পর্যায়ে শশা, টমেটো, কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যা খুচরা বাজারে গিয়ে আরও বেশি হয়ে দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি দূরপাল্লার ট্রাক ভাড়াও বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ট্রিপ সংকট তৈরি হয়েছে।

একজন সবজি ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে চাষিদের কাছে পর্যাপ্ত সবজি থাকায় সরবরাহ বেশি, ফলে দাম স্বাভাবিকভাবে আরও কম থাকার কথা ছিল। কিন্তু জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই সুবিধা ভোক্তারা পাচ্ছেন না। তার মতে, তেলের দাম না বাড়লে সবজির দাম আরও ৫ থেকে ১০ টাকা কম হতে পারত।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর পোল্ট্রি, সোনালি ও দেশি মুরগির দামে স্বস্তি ফিরেছে। সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কমে বর্তমানে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পোল্ট্রি মুরগিও ১০ থেকে ২০ টাকা কমে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় নেমেছে। দেশি মুরগির দামও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭০ টাকায়।

গরু ও খাসির মাংসের দামে তেমন পরিবর্তন নেই। গরুর মাংস কেজিতে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মাছের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। প্রকারভেদে মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে ২২০ টাকার নিচে বাজারে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। পাঙ্গাশ মাছ ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১০ টাকা বেশি। ১ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের রুই মাছ ৩৪০ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগেও ছিল প্রায় ৩০০ টাকা। বড় আকারের রুই মাছ ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া তেলাপিয়া, পাবদা, শোল, টেংরাসহ অন্যান্য মাছের দামও কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

সব মিলিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব বাজারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কিছু পণ্যে দাম কমলেও সার্বিকভাবে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ