• সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ,,,,, কুমিল্লা বিভাগ দাবিতে ইতিবাচক প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েরও আশ্বাস অর্থনীতি এখনো চাপে, পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে লাগতে পারে আরও দুই বছর: অর্থমন্ত্রী পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার পাঁচ খুন মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার মরদেহ রাজশাহীর সমাবেশে বিএনপিকে নিয়ে কড়া মন্তব্য জামায়াত আমিরের, উত্তপ্ত রাজনৈতিক মাঠ করব কাজ, গড়ব দেশ”—খাল পুনঃখনন উদ্বোধনে উন্নয়ন পরিকল্পনার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর RAOP নির্বাচনে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত ই এম এস সাগর, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ার ২০২৭ থেকে বদলে যাচ্ছে পাঠ্যবই, যুক্ত হবে গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও এআই শিক্ষা ২২ বছর পর চাঁদপুর সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জনসভা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ আবারও কমলো স্বর্ণের দাম, এক ভরিতে কমেছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা

পদোন্নতি সংকটে ফের উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা; সোমবার থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

রিপোর্টার: / ২৫ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

পদোন্নতি সংকটে ফের উত্তাল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা; সোমবার থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পদোন্নতি জটিলতা ঘিরে আবারও অচলাবস্থার মুখে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। চলমান সংকট নিরসনে সিন্ডিকেট সভা থেকে কার্যকর সিদ্ধান্ত না আসায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষকরা। একই সঙ্গে সোমবার (১১ মে) থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসমাজের ব্যানারে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়। শিক্ষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের চেষ্টা করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এর আগে শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিকে কেন্দ্র করে গত ২০ এপ্রিল থেকে টানা ১০ দিন আন্দোলন চলে। ওই সময় ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে ৩০ এপ্রিল বিভাগীয় কমিশনার, উপাচার্য ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনদের অংশগ্রহণে এক বৈঠকে সংকট নিরসনের আশ্বাস দেওয়া হলে শিক্ষকরা কর্মসূচি শিথিল করেন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরার আশা দেখা দিয়েছিল।

তবে শিক্ষকসমাজের অভিযোগ, বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন ও নীতিমালা অনুসরণ করে সমস্যা সমাধানের বিষয়ে সমঝোতা হলেও পরে তা বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং উপাচার্য একক সিদ্ধান্তের পথে এগিয়েছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত ১০টার দিকে জরুরি সিন্ডিকেট সভার নোটিশ দিয়ে শুক্রবার (৯ মে) সকাল ১১টায় সভা আহ্বান করা হয়। কিন্তু ওই সভায় অধিকাংশ সিন্ডিকেট সদস্যের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে এবং সংকট সমাধানে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে দাবি শিক্ষকদের।

রোববার অনুষ্ঠিত শিক্ষকদের সাধারণ সভায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে, সোমবার (১১ মে) থেকে উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন কর্মসূচি পালন এবং প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের পদত্যাগ।

শিক্ষক নেতারা বলছেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমরা দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে আলোচনার পথ অনুসরণ করেছি। কিন্তু কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ না আসায় কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছি।”

তারা আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও অংশীজনভিত্তিক প্রশাসনিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা তৈরি হলে সেশনজট আরও বাড়বে। দ্রুত সংকট সমাধানে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ