• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৫২ থানায় সম্মেলন বাস্তবায়নে সাংগঠনিক উন্নয়ন সভার উদ্যোগ বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ঢাকা মহানগরের চুনারুঘাটে পুত্রবধূর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা, ঘরে আগুন দেওয়ারও অভিযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগে ঢাবিতে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি আরেকটি বিপ্লব আসন্ন’, দেশবাসীকে প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমিরের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে সংরক্ষিত হবে বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী

গণমাধ্যম সংস্কারে পরামর্শ কমিটি গঠনের ঘোষণা, সব পক্ষকে নিয়ে এগোতে চায় সরকার

রিপোর্টার: / ৭৫ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

গণমাধ্যম সংস্কারে পরামর্শ কমিটি গঠনের ঘোষণা, সব পক্ষকে নিয়ে এগোতে চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়াকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর করতে সরকার সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত হওয়া আলোচনা, সুপারিশ ও নীতিগত প্রস্তাবগুলো ভবিষ্যৎ সংস্কার কার্যক্রমের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এ লক্ষ্যে দ্রুত একটি পরামর্শ কমিটি গঠন করা হবে।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে BBC Media Action আয়োজিত অভিজ্ঞতা বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাজ্যের Foreign, Commonwealth & Development Office-এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট মিডিয়া অ্যান্ড হেলদি ইনফরমেশন এনভায়রনমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম সংস্কার শুধু সরকারের একক দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি যৌথ প্রক্রিয়া। তিনি জানান, সম্পাদক, গণমাধ্যম মালিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে গঠিত পরামর্শ কমিটির মাধ্যমে আরও বিস্তৃত মতামত গ্রহণ করা হবে।

তার ভাষায়, “এ পর্যন্ত যেসব আলোচনা ও নথিপত্র তৈরি হয়েছে, সবই আমাদের ভবিষ্যৎ কাজের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।”

তিনি আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যম খাতে একটি দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়। এজন্য রাষ্ট্রের ভূমিকা হবে সমন্বয়কারীর, যাতে জনগণের জন্য একটি সুস্থ ও নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা যায়।

একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাত নয়, বরং অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে আগ্রহী। তিনি জানান, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয় এমন বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা হবে।

তিনি বলেন, “জনগণের মতপ্রকাশে বাধা সৃষ্টি করে এমন ঘটনাগুলো নিরসনে সরকার কাজ করছে। আগামী জুন-জুলাইয়ের মধ্যে এ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

অনুষ্ঠানে সারাহ কুক বলেন, স্বাধীন গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। তবে কেবল স্বাধীনতা নয়, পেশাগত মানদণ্ড ও জবাবদিহির সংস্কৃতিও শক্তিশালী গণমাধ্যম গঠনে অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম খাত বর্তমানে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এর মধ্যে রয়েছে আইনি সীমাবদ্ধতা, রাজনৈতিক চাপ, অপতথ্যের বিস্তার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ইস্যু। তবে চলমান সংস্কার উদ্যোগকে তিনি একটি বড় সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে BBC Media Action গত ১৫ মাসের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে। এর মধ্যে সাংবাদিকতা নীতিমালা, নির্বাচনকালীন নির্দেশিকা এবং কর্মক্ষেত্রে হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত গাইডলাইন তৈরির বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ