• শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে বিএফইউজে-ডিইউজের শোক, শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রথম জানাজা কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক: ‘সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হলো’ ছয় মাসে পাঁচ অঞ্চলে চালু হচ্ছে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জোর প্রস্তুতি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশের একনেকেই পাস হচ্ছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, তিস্তাপারের মানুষের আর কোনো চিন্তা নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী এ্যানি শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি বৈঠক, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন শঙ্কা জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মূলধারার রাজনীতি ও ব্যবসায় আরও সক্রিয় হোন’—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি ড. তিতুমীরের আহ্বান

সংস্কার শেষে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর

রিপোর্টার: / ৩২ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

সংস্কার শেষে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের পাশে অবস্থিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ‘জিয়া স্মৃতি জাদুঘর’ সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের ‘প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির’ কারণে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও অযত্নে পড়ে থাকা এই ঐতিহাসিক স্থাপনাকে পুনরায় তার স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে জাদুঘরটি আরও আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব রূপে গড়ে তোলা হবে।

আহমেদ আযম খান বলেন, বর্তমানে জাদুঘরের কয়েকটি কক্ষ সংস্কার কাজের জন্য খালি রাখা হয়েছে। আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সেখানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী, স্মৃতিচিহ্ন ও ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, রাষ্ট্রগঠন এবং জাতীয় উন্নয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে মেজর জিয়া থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কার কার্যক্রম শেষ হলে জাদুঘরটি শুধু একটি স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনা হিসেবেই নয়, বরং ইতিহাস, গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবেও ভূমিকা রাখবে।

পরিদর্শনকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর নতুনভাবে সাজানো প্রদর্শনী, তথ্যচিত্র ও ঐতিহাসিক দলিল-দস্তাবেজের মাধ্যমে দর্শনার্থীদের জন্য


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ