• বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে যমজ দুই বোনের কারাদণ্ড ও নিরাপত্তা ঘটনায় এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে বৃটেন-ইসরাইল সম্পর্ক: বসতি বাণিজ্য নিয়ে তীব্র উত্তেজনা সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে কাতার ও উজবেকিস্তানের পাঁচ বছর মেয়াদী চুক্তি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, ১০০ ডলারের দোরগোড়ায় ব্রেন্ট ক্রুড মার্কিন বাজারে বোম্বার্ডিয়ারের বিমান বিক্রি বন্ধের হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ডিএমপির চার সহকারী পুলিশ কমিশনারের কর্মস্থল পরিবর্তন চ্যাম্পিয়নস লিগে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু রিয়াল মাদ্রিদের, এমবাপ্পের মাইলফলক নেপালে বন্যায় নিখোঁজের ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার নারী ইরানের পাঁচটি তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জর্ডানে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় কাতারের মধ্যস্থতায় পূর্ণ সমর্থন চীনের

তারেক রহমানের দিল্লি সফরকালে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির নবায়ন নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা

রিপোর্টার: / ১৪ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ঐতিহাসিক গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। চুক্তিটি নবায়নের লক্ষ্যে দুই দেশের কর্মকর্তারা এরই মধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন এবং একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। এই ওয়ার্কিং গ্রুপ তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর নবায়ন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফরকালে এই বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে এবং তখনই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতা হতে পারে।

১৯৭৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কায় গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত বাঁধের পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রবাহিত ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদীর মধ্যে গঙ্গার পানি প্রবাহ ঋতুভেদে ব্যাপক তারতম্য দেখা দেয়। মূল চুক্তিটির মেয়াদ ৩০ বছর নির্ধারণ করা হলেও প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এটি পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া চুক্তির প্রভাব মূল্যায়নের জন্য যেকোনো পক্ষ দুই বছর পর পর্যালোচনার দাবি জানাতে পারে। ১৯৯৬ সালের সেই চুক্তিতে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া স্বাক্ষর করেছিলেন।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে পয়লা জানুয়ারি থেকে ৩১শে মে পর্যন্ত প্রতি দশদিন অন্তর পানি বণ্টন করা হয়। ফারাক্কায় পানির প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেকের নিচে নেমে গেলে বাংলাদেশ ও ভারত সমান অনুপাতে পানি পাবে। প্রবাহ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট ৩৫ হাজার কিউসেক পানি পাবে এবং অবশিষ্ট পানি ভারতের ভাগে থাকবে। আবার পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পানি রাখবে এবং বাকি অংশ পাবে বাংলাদেশ। পানির প্রবাহ ৫০ হাজার কিউসেকের নিচে নেমে গেলে দুই দেশের মধ্যে জরুরি বৈঠকের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফারাক্কা ফিডার ক্যানেল এবং হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নেভিগেশন লকের পানির প্রবাহ যৌথ কমিটির মাধ্যমে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং সেই অনুযায়ী প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন, দু’দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের পরেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর এই কমিটি দু’দেশের সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ