• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পণ্য পাচারের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: বিমান কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, দাবি দুদক সচিবের বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন: উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ৪৪ প্রার্থী ইরফানের মৃত্যু নিয়ে রহস্য: স্ত্রী এথেনার ভূমিকা ও দাফন প্রক্রিয়া নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক সিরিয়ার ইদলিবে অস্ত্রের গুদামে বিস্ফোরণ: নিহত ১৪ প্রবাসী ও রেমিট্যান্স আয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম: বিদেশ গমনেও এগিয়ে এই বিভাগের বাসিন্দারা দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫৮১ কোটি টাকা তুলেছেন গ্রাহকরা হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর সংলগ্ন রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ছয় ইউনিট ভোলায় সার কারখানা ও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত ও কবিতার ছন্দময় আবেশ

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ‘আমলযোগ্য’, দাবি দুদক সচিবের

রিপোর্টার: / ১ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অভিযোগটি যাচাই-বাছাইয়ের পর ‘আমলযোগ্য’ বিবেচিত হওয়ায় আইন ও বিধি অনুযায়ীই অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

দুদক সচিব স্পষ্ট করেন যে, কমিশন নিজস্ব আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। তিনি বলেন, কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা ভুক্তভোগী যে কোনো বক্তব্য রাখতে পারেন এবং আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগও তাদের রয়েছে। অনুসন্ধান শুরুর দিন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি এটিকে ‘স্লিপ অব টাং’ বা ভুলবশত বলে অভিহিত করেন।

এর আগে আসিফ মাহমুদ এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছিলেন যে, তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে দুদককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক সচিব জানান, কমিশনে আসা অভিযোগ প্রথমে যাচাই-বাছাই কমিটির কাছে যায়। কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশ পর্যালোচনা করেই কমিশন পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তবে অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নিয়ে কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। এই অনুসন্ধানের জন্য উপপরিচালক জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। তালিকায় থাকা অন্য তিনজন হলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গত ৩ সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে চার ধরনের নথিপত্র তলব করেছে দুদক। এর মধ্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয়ে সম্পাদিত নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি সংক্রান্ত সব নথিপত্র এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট স্মারকমূলে হওয়া বদলির নথিপত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি জানান, অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন নথি চাওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ