• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

লাওসে বাংলাদেশিদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট ও ভিসা স্থগিত ২০২৬

রিপোর্টার: / ১ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নতুন ওয়ার্ক পারমিট, শ্রম ভিসা এবং শ্রমিক আমদানির সকল প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত করেছে লাওস। দেশটির শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। মন্ত্রণালয়ের গত ৯ সেপ্টেম্বরের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে যে, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, মানবপাচার প্রতিরোধ, দালালদের দৌরাত্ম্য কমানো এবং শ্রমিক আনার পর দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া নিয়োগকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ করতেই এমন কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারি অনুমোদিত অগ্রাধিকারমূলক বৃহৎ প্রকল্পগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

এই আদেশের ফলে কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা লেবার অপারেটর বাংলাদেশি কর্মীদের নতুন করে কর্মসংস্থানের সুযোগ বা প্রবেশাধিকার দেওয়ার অনুমতি পাবেন না। আইন অমান্যকারীদের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। অনুমোদনহীন শ্রমিক নিয়োগ বা আমদানি করলে প্রতি শ্রমিক ও প্রতি লঙ্ঘনের জন্য নিয়োগকারীকে ২৫ লাখ লাও কিপ বা ১১০ মার্কিন ডলার জরিমানা গুনতে হবে। এছাড়া ভিন্ন কোনো শ্রম ইউনিটে নিয়োজিত কর্মী গ্রহণ করলে প্রতি কর্মীর জন্য ২০ লাখ লাও কিপ বা ৮৯ ডলার জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

নির্ধারিত কর্মস্থল পরিবর্তন করে অবৈধভাবে কাজ করলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে প্রতি ঘটনার জন্য ১০ লাখ লাও কিপ বা ৪৪ ডলার জরিমানা করা হবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে তাকে বাধ্যতামূলক নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। বহিষ্কারের যাবতীয় খরচ নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে। একই অপরাধ পুনরায় করলে জরিমানার অঙ্ক তিন গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবসার লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে পারেন সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারীরা।

লাওসে বর্তমানে কতজন বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন বা কোন নির্দিষ্ট খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় স্পষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ থেকে লাওসে যাওয়া শ্রমিকরা প্রধানত দেশটির নির্মাণ ও উৎপাদন খাতে কাজ করে থাকেন। নির্দেশনায় বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেই কেন এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উল্লেখ্য বাংলাদেশ থেকে লাওসে শ্রম অভিবাসন ঐতিহাসিকভাবে মূলত নির্মাণ ও উৎপাদনখাত কেন্দ্রিক হয়ে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ