• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

অস্ত্রের তথ্যদাতাকে সরকারিভাবে পুরস্কৃত করা হবে: এসআরবি

রিপোর্টার: / ২ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান দিতে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিলে তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তাদের যথাযথ পুরস্কার প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

সংবাদ সম্মেলনে উইং কমান্ডার এ জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এ জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ও এসআরবির পক্ষ থেকে বিশেষ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ, সেনাবাহিনী ও এসআরবির যৌথ অভিযানে এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধার কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও জোরদার করতে জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা প্রয়োজন।

তথ্যদাতা ও অস্ত্র উদ্ধারের কৌশল

  • ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, খুলনা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ অস্ত্রের অবস্থান নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কিছু প্রাথমিক তথ্য রয়েছে। তবে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে অনেক অস্ত্র শনাক্ত ও উদ্ধার করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।
  • তিনি সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিস্থিতি বা তাৎক্ষণিক ঘটনার প্রেক্ষিতে অনেকে অস্ত্র নিজের কাছে রাখতে বাধ্য হয়েছেন বা ভয় পাচ্ছেন। এমন অবস্থায় কোনো অস্ত্র নির্দিষ্ট স্থানে রেখে আমাদের জানালেই হবে। মাত্র একটি পিস্তল, রাইফেল কিংবা কিছু গুলির তথ্য দিলেও আমরা তা উদ্ধার করতে সক্ষম হবো।
  • তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং সরকারিভাবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। পাশাপাশি, কেউ যদি তথ্য দিয়ে অস্ত্র সমর্পণে সহায়তা করেন, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনা করা হবে।

মোহাম্মদপুরের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ

মোহাম্মদপুরের বর্তমান অপরাধ পরিস্থিতি সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, অপরাধপ্রবণতা কমিয়ে আনা একটি ধারাবাহিক চলমান প্রক্রিয়া। এক রাতের মধ্যে কোনো এলাকার পরিস্থিতি রাতারাতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে যেসব এলাকায় অপরাধের মাত্রা বেশি, সেসব স্থানে এসআরবির টহল ও তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, অপরাধপ্রবণ এলাকায় এসআরবি সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার এবং সাইবার মনিটরিংয়ের পরিসর বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মোহাম্মদপুর থেকে দ্রুত অপরাধ নির্মূলের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি জনগণের কাছে ধৈর্য ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখুন এবং আমাদের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন। ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই মোহাম্মদপুর থেকে অপরাধ নির্মূল করতে আমরা সক্ষম হবো। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় এসআরবি বদ্ধপরিকর। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসআরবির এই কর্মকর্তা বলেন, “কোনো ঘটনার সময় কেউ হয়তো থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র নিয়ে যেতে পারেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ওই জায়গায় দুটি পিস্তল, একটি রাইফেল, ১০টি ম্যাগাজিন বা গুলি আছে—এতটুকু তথ্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার কোনো দুরভিসন্ধি নাও থাকতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ