• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন সম্ভাবনা, জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী জাপানের সঙ্গে ৬টি চুক্তি-সমঝোতা, বাংলাদেশকে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদার আহ্বান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসায় জাপানের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস নীলগঞ্জের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা, হাজিপুরে মতবিনিময়ে অ্যাডভোকেট আবুল হোসেন যুদ্ধের কারণে আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, সার কারখানা স্থাপনেও সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ তোমাদের মধ্যেই দেখি নতুন বাংলাদেশ, নতুন স্বপ্ন’—শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত

রাজধানীর বাজারে সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট অব্যাহত

রিপোর্টার: / ৫৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট যেন কাটছেই না। গত ২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পর সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে চিত্রটি ভিন্ন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অনেক দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। যে কয়েকটি দোকানে মিলছে, সেখানেও আধা লিটার ও এক লিটারের বোতলের দেখা মেলা ভার। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে বাধ্য হয়ে অনেক বিক্রেতা খোলা তেল বিক্রি করছেন।

বাজারে বর্তমানে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ খুবই সীমিত। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিলেও পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। দু-তিনটি কোম্পানি সীমিত আকারে তেল ছাড়লেও তা মূলত ২ ও ৫ লিটারের বোতলে সীমাবদ্ধ। ফলে ক্রেতাদের প্রয়োজনীয় পরিমাণের তেল পেতে চার-পাঁচটি দোকান ঘুরতে হচ্ছে। এদিকে নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০৪ টাকা, ২ লিটার ৪০৮ টাকা এবং ৫ লিটার তেল ১ হাজার ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ বোতলপ্রতি দাম বেড়েছে ৫ টাকা করে।

তেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, কোম্পানিগুলো শুধু সরবরাহ কমিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, খুচরা বিক্রয় কমিশনও ব্যাপকভাবে কমিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে প্রতি লিটার তেলে ব্যবসায়ীদের কমিশন দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১ টাকা। মুনাফার এই স্বল্পতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বিক্রেতারা। রামপুরা এলাকার ভাই ভাই স্টোরের স্বত্বাধিকারী আফজাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘৫ লিটার তেল বিক্রি করলে ৫ টাকা লাভ হয়। হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ৫ টাকা লাভ করা কঠিন। তার ওপর কোম্পানি তেল দিচ্ছে না, যেন সবাইকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।’

বোতলজাত তেলের এই সংকটের প্রভাব পড়েছে খোলা তেলের বাজারেও। বোতলের সহজলভ্যতার অভাবে খোলা সয়াবিন তেলের চাহিদা বেড়েছে, যা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে রাজধানীর বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ২০৫ থেকে ২০৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একইসঙ্গে পাম তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী, যা এখন প্রতি লিটার ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সামগ্রিক এই পরিস্থিতিতে সাধারণ ক্রেতাদের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর কোনো দোকানে পাওয়া গেলেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণের বোতল মিলছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রামপুরা এলাকার ভাই ভাই স্টোরের দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, ‘৫ লিটার তেল কিনলে এমনিতেই মানুষ ৫-১০ টাকা কম দিতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ