• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদির পরমাণু অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে মার্কিনী উদ্বেগ নিউইয়র্কে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে ভারতজুড়ে উত্তাল বিক্ষোভ বোয়িং থেকে বিমান কেনায় বাংলাদেশ-তুরস্ক নিয়ে ট্রাম্পের উচ্ছ্বাস অনলাইনে হ্যাকিং ও প্রতারণা রুখতে মেনে চলুন ৬টি জরুরি অ্যালকোহল পরীক্ষায় ব্যর্থ এয়ার ইন্ডিয়ার ফার্স্ট অফিসার, সাময়িক বরখাস্ত শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হলো কবি আখতার হুসেনকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ডিএমপি যুগ্ম কমিশনার সৌদির ইয়ানবু বন্দর রক্ষায় সেনা পাঠাবে ফ্রান্স

নিউইয়র্কে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

রিপোর্টার: / ৩ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে বর্তমানে নিউইয়র্ক সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফর চলাকালীন স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে নিউইয়র্কে অবস্থিত কুয়েতের স্থায়ী মিশনে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ’র সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই নেতা পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি দুই দেশের কূটনৈতিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত মজবুত করার পেছনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনবদ্য অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তাদের নেতৃত্বেই উভয় দেশের মধ্যে যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছিল, তা আজও অত্যন্ত সুদৃঢ়।

অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন ক্ষেত্র

বৈঠকে দুই দেশের জনগণের সামগ্রিক কল্যাণের লক্ষ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও বহুমাত্রিক ও গভীর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আলোচনায় উঠে আসা প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে

  • বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে দক্ষ জনশক্তি ও শ্রমশক্তি রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি করা।
  • উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন পথ উন্মোচন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করা।
  • উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও বেগবান করা।
  • আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রাখা।

পরিশেষে, দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সমৃদ্ধি ও কল্যাণে বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে উভয় পক্ষই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে ভবিষ্যতে আরও অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে উভয় নেতা একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এই বৈঠকটি উভয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাসে নতুন একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং এর মাধ্যমে বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করা যাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ