• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রিপোর্টার: / ০ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিরোধী দলসহ দেশের সব মহলের সঙ্গে আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার। ২৯ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার দ্বার সবসময় উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এরপরে সেই প্রতিবেদন ভিত্তিতে বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হবে। সংসদে হবে, সংসদের বাইরেও মতামত নেওয়া হবে।

অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন সামাজিক শক্তি, বিভিন্ন সংগঠন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সরকার বসবে। তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে যারা গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, তাদের পরিবার এবং যারা জীবিত আছেন, তাদের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব আকারে বৈঠক করা হবে। এসব প্রক্রিয়ার পর সরকার সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা করবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। আর জুলাই অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবারের সাথে বসব।

দুইকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার

বৈঠকের আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে দুইকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, তা নিয়ে প্রস্তাব এসেছে এবং সেই বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া বৈঠকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি নিয়েও অতিথিরা তাদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যারা বক্তব্য দিয়েছেন সেগুলো আমরা রেকর্ড করেছি। সবাইকে অনুরোধ করেছি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ও গঠনের রূপরেখা সম্পর্কে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়ার জন্য। এ বিষয়ে একটি উন্মুক্ত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।’ সরকারি এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি আরও স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে সব পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকার তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া সংবিধান পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। বিশেষ কমিটির পরবর্তী বৈঠকগুলোতেও ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়ার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সেই বিবেচনায় তারা বলেছেন, এটা পুনর্বিবেচনা করা যায় কিনা। আমরা আহ্বান জানাই, তারা যেন সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নাম দেন, অন্তর্ভুক্ত হন এবং আলোচনায় আসেন। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে অংশগ্রহণমূলক ইনক্লুসিভ একটা সংশোধনী আনতে চাই। এভাবে আমরা প্রায় সকল শ্রেণিপেশার ব্যক্তিদের সাথে, তাদের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে সমাজের একটা চিত্র, মতামত, পরামর্শ নেওয়ার চেষ্টা করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ