• বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জামিন পেলেন মাকছুদা, কারাগারেই এমপি গাজী নজরুল চীনের প্রতি বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান অক্টোবরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম দিল্লিতে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের জাইমা রহমান জাতিসংঘে নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছেন: মাহ্দী আমিন নতুন সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজ গঠন করলেন আমির ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ল লিটারপ্রতি ৮ টাকা ৩৯ পয়সা বিমানবন্দরে অসুস্থ মা, মানবিকতায় পাশে দাঁড়ালেন আনসার সদস্যরা দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে হামের প্রকোপ: ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু

১১টি বোয়িং কিনতে আড়াই বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের সম্ভাবনা

রিপোর্টার: / ১৩ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নতুন করে ১১টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত খরচে প্রায় আড়াই বিলিয়ন বা ২৫০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সংশ্লিষ্ট এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। উড়োজাহাজগুলোর চূড়ান্ত আর্থিক মূল্য, অর্থায়ন প্রক্রিয়া ও সরবরাহের সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো জানানো হয়নি। চুক্তির আগে বিমানের টেকনো-ফাইন্যান্স কমিটির বিস্তারিত মূল্যায়ন না হওয়ায় এই বিপুল ব্যয় নিয়ে নানামুখী আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই হিসাবের কারণে সম্ভাব্য ২৫০ কোটি ডলারের ব্যয় নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। যদিও বড় আকারের বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে সাধারণত নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

গত সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সময় বোয়িংয়ের সাথে এই সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষর করে বিমান। এই অর্ডারের আওতায় পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮ মডেলের উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই ১১টি উড়োজাহাজসহ চলতি বছরে বোয়িংয়ের কাছে বিমানের মোট ক্রয়াদেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টিতে। এর আগে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরও ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছিল, যার তালিকামূল্য ছিল প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার। ওই চুক্তিতে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ মডেলের বিমান ছিল।

বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের বর্তমান হালনাগাদ তালিকামূল্য বোয়িং সরাসরি প্রকাশ করে না। তবে ২০১৯ সালের সর্বশেষ তালিকার ভিত্তিতে নতুন চুক্তির ১১টি বিমানের মূল্য প্রায় ২৪২ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে বলে ধারণা করা হয়। প্রকৃত ব্যয় ও তালিকামূল্যের মধ্যে পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, কারণ চূড়ান্ত চুক্তিতে মূল্যছাড়, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, প্রশিক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ সেবার শর্ত যুক্ত থাকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব আর্থিক সুবিধা চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রকৃত ব্যয়ের অংক স্পষ্ট হবে। ফলে চূড়ান্ত চুক্তিমূল্য প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত মোট ব্যয় নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

চলতি বছরের দুই দফার ক্রয়াদেশ মিলিয়ে বিমানের বহরে মোট ২৫টি নতুন বোয়িং যোগ হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ১৩টি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ১০টি ৭৩৭-৮ মডেলের বিমান রয়েছে। বহরের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিমান এই উড়োজাহাজগুলো সংগ্রহ করছে। তবে প্রকল্পটির চূড়ান্ত আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অর্থায়ন ও পরিশোধের শর্তসহ পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের দাবি উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ