• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রিপোর্টার: / ০ পঠিত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

দেশে যৌথ কোনো অভিযানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে পুলিশ, বিজিবি, এসআরবি (সাবেক র‍্যাব) এবং আনসার বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম মূলত একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। এই কার্যক্রমগুলো চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও বেগবান করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন জাতীয় সংকট ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার বাহিনীর অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাদের আর্থিক ও অন্যান্য পর্যায়ক্রমিক দাবি-দাওয়া পূরণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এই অভিযানগুলো প্রতিনিয়ত চলছে এবং ভবিষ্যতে এগুলোকে আরও জোরদার করা হবে। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এটি দেশের সর্ববৃহৎ ফোর্স।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে তেজগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপির নতুন সদর দপ্তরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি নতুন সদর দপ্তর নির্মাণের ‘শুভারম্ভ ফলক’ উন্মোচন করেন। সরকার আনসার বাহিনীর আবাসন সংকট নিরসনে ঢাকার আশুলিয়া ও শেরেবাংলা নগরে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে খিলগাঁও থেকে পরিচালিত আনসার সদর দপ্তরের অপরিসর জায়গায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় এবং যাতায়াত ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা দূর করতে এখানে একটি আধুনিক ও বৃহৎ অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

আনসার বাহিনীর বর্তমান শক্তি তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, দেশে ২০ হাজার ব্যাটালিয়ন আনসার এবং ৬০ হাজার অঙ্গীভূত আনসার সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া ৩৫ হাজার ভিডিপি দলনেতার অধীনে প্রায় ৬০ লাখ প্রশিক্ষিত জনশক্তি কাজ করছে। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত ৩.৪২৮ একর বা প্রায় ১১ বিঘা জমির ওপর আনসার বাহিনীর এই নতুন সদর দপ্তর নির্মাণ করা হবে। এটি বাহিনীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের ধাপ হিসেবে দেখছে সরকার। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির একটি সুপরিকল্পিত ও উপযুক্ত স্থানে নিজস্ব সদর দপ্তর স্থাপনের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হতে যাচ্ছে।

শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে কঠোর বার্তা দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা বা অপরাধের প্রমাণ মিললে শুধু প্রত্যাহার নয়, বরং বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে অটোমেশন ও এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক মামলা ও নজরদারি চলছে, যা সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সহায়ক হচ্ছে। এছাড়া রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির ক্ষেত্রে একসাথে পুরো রাস্তা না কেটে খণ্ড খণ্ডভাবে কাজ শেষ করে দ্রুত পুনর্নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে জনদুর্ভোগ কমে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ