• বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পথশিশু-ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: ডা. জাহিদ বিদায়ী বক্তব্যে যা বললেন মেসি রাজশাহী মেডিকেলের ভিসিকে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র লেখানোয় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার কাতারে মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার বিক্রি: সাকুরা সুপারমার্কেট ১০ দিন বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংককে না জানিয়েই ৩০ ব্যাংকের এটিএম সেবা বন্ধ শাহজালালে ৬৩১ কার্টন বিদেশি সিগারেটসহ আটক তিন যাত্রী বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের শিক্ষার অধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা ড্রোন শোতে আবেগঘন বিদায় পেলেন লিওনেল মেসি জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেন ফুটবলের কিংবদন্তি মেসি আবেগী বিদায়: শেষ ম্যাচে মেসি ঝলকে জয়ী আর্জেন্টিনা

রাজশাহী মেডিকেলের ভিসিকে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র লেখানোয় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

রিপোর্টার: / ৪ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হককে মব সৃষ্টি করে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও সেকশন অফিসার মো. নাজমুল হোসাইন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করে এই মামলা করেন। ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে পুলিশ আব্দুস সালাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যিনি রাজশাহী মহানগরের রাজপাড়া থানা বিএনপির স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি। তদন্তের ভিত্তিতে অন্যদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।

বুধবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও বিশ্লেষণ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে বাকিদেরও আইনের আওতায় আনা হবে। এদিকে মামলার বাদী মো. নাজমুল হোসাইন জানান, এমন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আতঙ্কিত।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে একদল ব্যক্তি ‘ছাত্র-জনতা’ পরিচয়ে মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। তারা উপাচার্যের কার্যালয়ে ঢুকে তাকে এবং সেকশন অফিসারকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। হামলাকারীরা আগে থেকে লিখে আনা পদত্যাগপত্রে সই করতে বাধ্য করে। স্বাক্ষর নেওয়ার পর তাদের কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় উপাচার্যের কক্ষ থেকে কম্পিউটারের সিপিইউ এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের সরঞ্জামাদি খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ওইদিন বিকেলে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেস্ট হাউজে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক জাওয়াদুল হক ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, মিটিং চলাকালীন বাইরে হট্টগোলের শব্দ শুনেছিলাম। হঠাৎ ২০-২৫ জনের একটি দল পিয়নদের ধাক্কা দিয়ে দপ্তরে প্রবেশ করে আমাকে চেয়ার থেকে উঠে আসতে বলে। তারা অভিযোগ তোলে যে, আমি আওয়ামী লীগের দোসর এবং রাজশাহীর স্থানীয়দের বাদ দিয়ে ঢাকার ঠিকাদারদের কাজ দিচ্ছি। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, স্বাক্ষর না করলে আমার ওপর শারীরিক হামলা হতে পারত। পদত্যাগপত্রটি তারা আগেই টাইপ করে নিয়ে এসেছিল। আমাকে দপ্তর থেকে বের করে দেওয়ার সময় আমার মোবাইল ফোনটিও তারা কেড়ে নেয় এবং গালিগালাজ করতে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ