• শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পল্লবীতে নিহত শিশু রামিসার বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা শিশু রামিসা হত্যা: কালশী মোড়ে সড়ক অবরোধ, ধর্ষক-খুনিদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় সেনাসদস্যরা ফিরছেন ব্যারাকে: সেনাপ্রধান জুলাই থেকেই নবম পে-স্কেলের প্রথম ধাপ, সর্বনিম্ন বেতন হতে পারে ২০ হাজার টাকা ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে মাঠে বিজিবি, ঢাকা-গাজীপুর মহাসড়কে বিশেষ নজরদারি তীব্র গরমে রাজধানীতে পানির হাহাকার: দৈনিক ৪৫ কোটি লিটার ঘাটতিতে চরম ভোগান্তি গণমাধ্যম সংস্কারে পরামর্শ কমিটি গঠনের ঘোষণা, সব পক্ষকে নিয়ে এগোতে চায় সরকার সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুদের তাণ্ডব: ট্রলারসহ ১২ জেলে অপহরণ, অভিযানে বনরক্ষী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাংলার মানুষ জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না’ — ঠাকুরগাঁওয়ে কড়া বার্তা মির্জা ফখরুলের চকরিয়ায় সেনা কর্মকর্তা হত্যা মামলায় রায়: ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৫ জনের যাবজ্জীবন

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে পাশে চান ডা. মাবুদের ছেলে।

রিপোর্টার: / ৫০৬ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০

প্রবাস নিউজ লাইভ বাংলা তার বাবা বৃটেনে করোনাভাইরাসে মৃত প্রথম বাংলাদেশি চিকিৎসক আব্দুল মাবুদ চৌধুরী, যিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামের সংকটের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন।

ইনতিসার নিজেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন। কিন্তু এখন আর তাদের কাছ থেকে ক্ষমা দাবি করছেন না। পিতার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য সক্রিয় হচ্ছেন ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ দৈনিক প্রাইম বাংলাকেতিনি বলেন, “আমার স্বপ্ন ও আশা, বাবা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন, সেবার কাজে, ‘চ্যারিটিতে’ ছিলেন মন উজাড় করা। তার ‘লিগ্যাসি’ আমি ধরে রাখতে চাই।”

ইন্তেসার চ্যানেল এস রামাদান ফেমেলি কমিটম্যান্টের (আরএফসি) তহবিল সংগ্রহের একজন অ্যাম্বাসাডর। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে কভিড আক্রান্তদের পাশে থাকতে চান।

তিনি বলেন, “এখন আর বৃটিশ সরকারের ক্ষমা চাই না, বরং চাই সবাই যেভাবে আমার চ্যারিটির কাজে সহযোগিতা করবেন, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীও যেন সামান্য কিছু ডোনেশন করেন। এতে উপকৃত হবে মানবতা; আমার পরিবার কিছু শান্তি পাবে, তৃপ্ত হবে আমার মরহুম পিতার আত্মা।”

আবদুল মাবুদ লন্ডনের একটি হাসপাতালে দায়িত্বরত অবস্থায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৮ এপ্রিল মারা যান।

চ্যানেল এস আরএফসির কো অডিনেটর ও হেড অব প্রোগ্রামস ফারহান মাসুদ খান বলেন, “ইনতিসার আমাদের সবচেয়ে স্বল্পবয়সী অ্যাম্বাসাডর। যেমন আছেন ১০০ বছর বয়সী দবির চৌধুরী, আরএফসির জন্য যার ফান্ডরেইজিং এখন শত হাজার পাউন্ডের কাছাকাছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ