• সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কলাপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমজীবী নুরুল ইসলাম ফকিরের মৃত্যু কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনায় পিতা ও পুত্রকে পিটিয়ে আহত ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে ৬৪ জেলায় সমন্বিত কর্মসূচির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর ফার্মেসিতে নকল ও ভেজাল ওষুধের ঝুঁকি, নজরদারি জোরদারের দাবি আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়, বদলাতে পারে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম হত্যা, ধর্ষণ ও মব সহিংসতার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন, যুবসমাজের ন্যায়বিচারের দাবি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আধুনিক সশস্ত্র বাহিনী গড়ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত জেডআরএফ, বিশ্বজুড়ে মানবিকতার প্রতীক হওয়ার প্রত্যাশা ডা. জুবাইদার

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে পাশে চান ডা. মাবুদের ছেলে।

রিপোর্টার: / ৫৫৯ পঠিত
আপডেট: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০

প্রবাস নিউজ লাইভ বাংলা তার বাবা বৃটেনে করোনাভাইরাসে মৃত প্রথম বাংলাদেশি চিকিৎসক আব্দুল মাবুদ চৌধুরী, যিনি স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জামের সংকটের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখেছিলেন।

ইনতিসার নিজেও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন। কিন্তু এখন আর তাদের কাছ থেকে ক্ষমা দাবি করছেন না। পিতার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য সক্রিয় হচ্ছেন ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ দৈনিক প্রাইম বাংলাকেতিনি বলেন, “আমার স্বপ্ন ও আশা, বাবা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতেন, সেবার কাজে, ‘চ্যারিটিতে’ ছিলেন মন উজাড় করা। তার ‘লিগ্যাসি’ আমি ধরে রাখতে চাই।”

ইন্তেসার চ্যানেল এস রামাদান ফেমেলি কমিটম্যান্টের (আরএফসি) তহবিল সংগ্রহের একজন অ্যাম্বাসাডর। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে কভিড আক্রান্তদের পাশে থাকতে চান।

তিনি বলেন, “এখন আর বৃটিশ সরকারের ক্ষমা চাই না, বরং চাই সবাই যেভাবে আমার চ্যারিটির কাজে সহযোগিতা করবেন, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীও যেন সামান্য কিছু ডোনেশন করেন। এতে উপকৃত হবে মানবতা; আমার পরিবার কিছু শান্তি পাবে, তৃপ্ত হবে আমার মরহুম পিতার আত্মা।”

আবদুল মাবুদ লন্ডনের একটি হাসপাতালে দায়িত্বরত অবস্থায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৮ এপ্রিল মারা যান।

চ্যানেল এস আরএফসির কো অডিনেটর ও হেড অব প্রোগ্রামস ফারহান মাসুদ খান বলেন, “ইনতিসার আমাদের সবচেয়ে স্বল্পবয়সী অ্যাম্বাসাডর। যেমন আছেন ১০০ বছর বয়সী দবির চৌধুরী, আরএফসির জন্য যার ফান্ডরেইজিং এখন শত হাজার পাউন্ডের কাছাকাছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ