• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা মামলার বিচার ১ জুন শুরু, ঈদেও খোলা থাকবে আদালত: আইনমন্ত্রী তিন বছর মেয়াদি নতুন সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশ-আইএমএফের সমঝোতা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী বিদায়ী হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঈদ উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে ৭ দিন বন্ধ থাকছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম জাতীয় ঈদগাহে ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের প্রস্তুতি, থাকছে কড়া নিরাপত্তা ও আধুনিক সুবিধা কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ১৫, ধানকাটা শ্রমিকদের বাড়িতে শোকের মাতম ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে নজরুল ছিলেন প্রধান প্রেরণা: রিজভী ঈদযাত্রায় নৌপথে কড়া নিরাপত্তা, দক্ষিণাঞ্চলে কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল জোরদার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ঈদযাত্রায় কমলাপুরে যাত্রীদের ঢল, ট্রেন বিলম্বে ভোগান্তি চরমে

গোয়ালন্দে মানবপাচার প্রতিরোধ কমিটির ত্রিমাসিক সভা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩১৪ পঠিত
আপডেট: বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় অবস্থিত দেশের সর্ববৃহত যৌনপল্লী। এ যৌনপল্লীতে সারাদেশ থেকে এখানে প্রতিনিয়ত পাচার হয়ে আসে বিভিন্ন বয়সের নারী ও শিশু। এই পাচার রোধে মঙ্গলবার গোয়ালন্দে মানবপাচার প্রতিরোধ কমিটির ত্রিমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে নারী-শিশুদের পাচার হয়ে আসা বন্ধ করতে বিভিন্ন আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজিজুল হক খান মামুনের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা ফকীর আবদুল জব্বার। সভায় বক্তব্য রাখেন সরকারী গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হালিম তালুকদার, গোয়ালন্দ পৌরসভার মেয়র মো. নজরুল ইসলাম মন্ডল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নার্গিস পারভীন, শিক্ষাবিদ নির্মল কুমার চক্রবর্তী, সেভ দ্যা চিলড্রেন এর কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, দেবগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ‘কেকেএস’ এর কর্মকর্তা ফকীর আমজাদ হোসেন, গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবের সভাপতি রাশেদ রায়হান, সমকাল প্রতিনিধি আজু শিকদার প্রমুখ।
দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর আশপাশের সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষক, এনজিও কমীগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলে যার যার অবস্থান থেকে আন্তরিক ভাবে কাজ করলে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে পাচার হয়ে আসা নারী শিশুদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হবে বলে সভায় বক্তারা উল্লেখ করেন। এ ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে যৌনপল্লীর ভেতরে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে অপ্রাপ্ত বয়ষ্ক ও পাচার হয়ে আসা নারীদের দিয়ে উদ্ধার ও পুনর্বাসনের পদক্ষেপ গ্রহনের অভিমত ব্যক্ত করেন বক্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ