• মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা নেই, সরকারি মালিকানাতেই থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানিতে ধাক্কা, পাঁচ মাসে আয় কমেছে ৮ শতাংশ রাজধানীতে থেমে থেমে বৃষ্টি, আরও পাঁচ দিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস কোচিংয়ে গিয়ে আর ফেরেনি মরিয়ম, ১২ দিনেও মেলেনি সন্ধান পাটাতন ধসে সড়কে নামাজ আদায়, কলাপাড়ায় মসজিদ সংস্কারে এগিয়ে এলেন যুবদল নেতা সুমন গাজী আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কে বর্জ্য অপসারণ, শুরু হচ্ছে নিমগাছ রোপণ সমুদ্রবন্দরের সতর্কতা সংকেত প্রত্যাহার, পাঁচ বিভাগে ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা রোববার প্রকাশ হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল টানা বর্ষণে বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা, কোটি টাকার আমদানি পণ্য ক্ষতির অভিযোগ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরোধ না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না’

ক‍্যারাম বোর্ডের গুটি চুরির অভিযোগে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করলেন অফিস সহকারি /দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৩৮৭ পঠিত
আপডেট: মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২

সাহিদ বাদশা বাবু , লালমনিরহাট ::লালমনিরহাটে হাতীবান্ধা উপজেলায় ক্যারাম বোর্ডের গুটি চুরির অপরাধে তামজিদ ইসলাম (১৮) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত শিক্ষার্থী তামজিদ স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

সোমবার (৪ এপ্রিল) রাতে এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে ওই কলেজের অফিস সহকারী ফরিদুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে আরও তিনজনের নামে হাতীবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এর আগে ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেন কলেজে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী তামজিদ ওই কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং একই ইউনিয়নের মধ্য-গড্ডিমারী এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে৷

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল ১০টার দিকে কলেজে আসেন তামজিদ। এ সময় ক্লাস না থাকার ফাঁকে ল্যাব রুমে বন্ধুদের সঙ্গে ক্যারাম বোর্ড খেলেছিলেন তিনি৷ পরে ক্লাসের সময় হলে তামজিদ ও তার সহপাঠীরা চলে যান।

এ সময় ওই কলেজের অফিস সহকারী ফরিদুল ইসলাম শিক্ষার্থী তামজিদ ও তার সহপাঠী মারুফ হোসেনকে ক্যারাম বোর্ডের গুটি চুরির অপরাধে ল্যাব রুমে ডেকে নিয়ে যান। তামজিদকে রুমের ভেতরে আটকে রেখে ল্যাব রুমের দরজা থেকে অপর শিক্ষার্থী মারুফ হোসেনকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেন অফিস সহকারী ফরিদুল। রুমের ভেতর প্রভাষক ছায়েদ আলী ও তবারক হোসেনের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থী তানজিদকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন ওই অফিস সহকারী। এ সময় তামজিদ অমানবিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করলে অন্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় তামজিদের আর্তনাত শুনে তাকে বাঁচাতে মারুফ হোসেন ও সবুজ ইসলাম নামে অপর দুজন শিক্ষার্থী এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করেন অফিস সহকারী ফরিদুল ও পিওন আবু সাঈদ। হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থী তানজিদ বলেন, ফরিদুলকে অনেক বলেছি যে আমি ক্যারাম বোর্ডের গুটি চুরি করিনি। তারপরও তিনি কথা না শুনে ল্যাব রুমে নিয়ে গিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে আমাকে মারধর করেন। আমার চিৎকার শুনে বন্ধুরা এগিয়ে এলে তাদের সহযোগিতায় হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছি৷

তবে অভিযুক্ত অফিস সহকারী ফরিদুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় কলেজে আমরা একটি মিটিংয়ে বসেছি। কলেজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আছেন তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ