• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের কর্মমূল্যায়নে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, পরিবর্তনের তালিকায় একাধিক মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীকেন্দ্রিক অভিযোজন কৌশল, সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বড় বিনিয়োগ ফ্রি কোটা অর ডাই’ লিখে রাজপথে প্রতিবাদের প্রতীক: জুলাই আন্দোলনের সাহসী মুখ আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করতে হবে’—এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিভেদের রাজনীতি চললে স্বৈরাচারের ফেরার সুযোগ তৈরি হবে’—রুহুল কবির রিজভী জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিঠা পানির মাছে উত্তরবঙ্গের সাফল্য, রাজশাহী এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ সরবরাহ কেন্দ্র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এমআইএসটি দলকে প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা, তরুণ উদ্ভাবকদের পাশে থাকার ঘোষণা সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে যোগ মানেই ইরানবিরোধী অবস্থান নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তিন মাস পর আবার এলপিজির দাম বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ৭০ টাকা বেড়ে ১,৫৯৮ টাকা

গফরগাঁওয়ে যৌতুকের বলি এক সন্তানের জননী/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ৪০৮ পঠিত
আপডেট: রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২

যৌতুকের বলি হলো মুসলিমা খাতুন (২৪) নামে এক সন্তানের জননী। সে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন টাংগাব ইউনিয়নের ছাপিলা গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী। শনিবার সকালে ছাপিলা গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে পুলিশ তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার রাতেই নিহতের মা রোকেয়া খাতুন বাদি হয়ে পাগলা থানায় মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনায় পুলিশ গৃহবধূর শাশুড়ি আনোয়ারা বেগম (৪৫) কে গ্রেফতার করে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টাংগাব ইউনিয়নের ছাপিলা গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আলামিনের সাথে গত তিন বছর আগে নিহত গৃহবধূ মুসলিমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর আলামিন ও মুসলিমা খাতুন দম্পতির ঘরে আরাফাত (২) নামে এক শিশু সন্তানের জন্ম হয়। এর পরপরই শুরু হয় যৌতুকের জন্য তাদের দাম্পত্য কলহ। এনিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে কলহ বিবাদ লেগেই থাকতো। শুক্রবার রাতে কলহ বিবাদের একপর্যায়ে স্বামী আলামিন লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে স্ত্রী মুসলিমা খাতুনকে গুরুতর আহত করে নিজ ঘরেই ফেলে রাখে। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নিজ ঘরেই মৃত্যু বরণ করে মুসলিমা খাতুন। খোঁজ পেয়ে প্রতিবেশীরা পাগলা থানা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মুসলিমার রক্তমাখা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ঘটনার রাতেই নিহতের মা রোকেয়া খাতুন বাদি হয়ে মেয়ের জামাই আলামিন, শ^শুর মফিজ উদ্দিন ও শ^াশুড়ি আনোয়ারা বেগমকে আসামি করে পাগলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।
নিহতের মা রোকেয়া খাতুন জানায়, বিয়ের পর থেকে আনোয়ারা বেগমের নির্দেশে আলামিন আমার মেয়েকে প্রতিনিয়ত মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করতো। এক বছর পূর্বে আনোয়ারা বেগম ও আলামিনের বেধড়ক পিটুনির পর আমি আমার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাই এবং তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলাম। ওই সময় তাঁরা আর কখনো এরকম অত্যাচার, নির্যাতন করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামলা প্রত্যাহার করায়। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারিদের শাস্তি চাই।
পাগলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রাশেদুজ্জামান জানান, আনোয়ারা বেগমকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ