• বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান ১০ মার্চ উদ্বোধন করবেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে জবাবদিহিতার সীমা নির্ধারণে আহ্বান তথ্যমন্ত্রী স্বপনের ভারত মহাসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবি, নিহত অন্তত ৮০ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল-এর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার কলাপাড়ায় গরু চরানো নিয়ে সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ১ কুয়াকাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক আটক,, প্রশাসনে বড় রদবদল: চার মন্ত্রণালয়ে এক বছরের চুক্তিতে নতুন সচিব নিয়োগ রেমিট্যান্সে ভর করে ফের চাঙ্গা রিজার্ভ, ৩৫.৩৩ বিলিয়ন ডলারে উত্তরণ কালিগঞ্জে এমপি রবিউল বাশারকে সংবর্ধনা, রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের আহ্বান হাজারীবাগে মেলা প্রতারণা: এক নারী উদ্যোক্তা নয়, সকল অংশগ্রহণকারী ক্ষতিগ্রস্ত

মেয়র মহিউদ্দিন এর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ, কিন্তু মামলা নেয়না পুলিশ./দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ২৮১ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২২

এম.জাফরান হারুন, , পটুয়াখালী:: পটুয়াখালীতে পৌরসভাস্থ শ্মশান ঘাট সংলগ্ন পরিমাপ নিয়ে মাকসুদুর রহমান তদালুকদারকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার অভিযোগ

উঠেছে পটুয়াখালী সদর পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ, কাউন্সিলর মোঃ ফারুক হোসেন সহ মেয়রের লোকজনদের বিরুদ্ধে।

মৃত মাকসুদুর রহমান তালুকদারের ভাইয়ের ছেলে মোঃ নাসির উদ্দিন তালুকদার অভিযোগ করে জানান, গত মঙ্গলবার (৬ই সেপ্টেম্বর ) দুপুরে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী পটুয়াখালীতে নদী ও খাল দখল মুক্ত করার লক্ষ্যে শ্মশান ঘাট এলাকা পরিদর্শন করতে গেলে তার সাথে পৌর মেয়র মহিউদ্দিন সহ কাউন্সিলর এবং মেয়রের অন্যান্য লোক উপস্থিত ছিলেন। ওই সময় জমির মালিক তার চাচা মাকসুদুর রহমান তালুকদার ও সে উপস্থিত হয়ে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরীর কাছে মেয়রের বিভিন্ন অপকর্মের কথা তুলে ধরলে মেয়র মহিউদ্দিন তাকে ধাক্কা দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে তাকে পুলিশ দ্বারা হাতকড়া দিয়ে আটকে রেখে মেয়রের নির্দেশে কাউন্সিলর ফারুক হোসেন, মেয়রের পিএস এনামুল সহ অন্যারা সুযোগ বুঝে মাকসুদুর রহমান তালুকদারকে ফাকে নিয়ে হত্যা করে লাশ পোরানো ঘরের স্লাবের নিচে ঢুকিয়ে রাখে। এদিকে এবিষয়ে থানায় অভিযোগ করলেও কোনও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ বরং পরিবারের লোকজনকে বসিয়ে কালক্ষেপণ করা হয়েছে। সে ও পরিবারের লোকজন এ পরিকল্পিত হত্যার বিচার দাবী করেন।

মেয়রের ব্যক্তিগত সহকারী মোঃ এনামুল হক বলেন, এসব মিথ্যা। আমাদের ফাঁসানোর জন্য এ কথা বলছে । ওখানে কথা কাটাকাটি হয়েছে কিন্তু তাকে আমরা মারধর করিনি।

পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, এটা অযৌক্তিক অভিযোগ। ওখানে আমরা সরকারি কাজে গিয়েছি। হত্যার অভিযোগ থাকলে ময়নাতদন্ত ছাড়া কেন লাশ দাফন করা হয়েছে?

এবিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, এব্যাপারে আমি জানিনা বা কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ