• মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেশজুড়ে শুরু তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা, ডিজিটাল সেবায় জোর ইরান ইস্যুতে যুদ্ধ শঙ্কা কমতেই বিশ্ববাজারে তেলের দামে স্বস্তি ঈদে টানা ৭ দিন ব্যাংক বন্ধ, বিশেষ ব্যবস্থায় খোলা থাকবে কিছু শাখা কলাপাড়ায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সবজি ও ধান বীজ বিতরণ কলাপাড়ায় লবণ পানিতে প্লাবিত ফসলি জমি, সুইজ গেট চালুর দাবী কৃষকদের বাংলাদেশে জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে, ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ,,,,, কুমিল্লা বিভাগ দাবিতে ইতিবাচক প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়েরও আশ্বাস অর্থনীতি এখনো চাপে, পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে লাগতে পারে আরও দুই বছর: অর্থমন্ত্রী পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার পাঁচ খুন মামলার প্রধান আসামি ফোরকান মোল্লার মরদেহ

কলাপাড়ায় রশি টানা নৌকাই গ্রামবাসীদের ভরসা/দৈনিক ক্রাইম বাংলা।

রিপোর্টার: / ২৪৭ পঠিত
আপডেট: শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২২

মো.নাহিদুল হকঃকলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ।। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চম্পাপুর ও ধানখালী এই দুই ইউনিয়নের মাঝ খানে দেবপুর খালের দুই পারের বিভিন্ন পয়েন্টে রয়েছে মাঝিবিহীন একাধিক নৌকা। আবার দু’প্রান্তেই রশি বাঁধা। প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীরা রশি টেনে আসা-যাওয়া করছে। এছাড়া পায়রাবন্দর ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকদের এ নৌকায় পারাপার হতে হয়। একপারে পশ্চিম পাঁচজুনিয়া,অপর পারে পূর্ব দেবপুর গ্রাম। মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে দেবপুর খাল। প্রতিদিন পারাপার হতে গিয়ে ছোট-খাটো দুর্ঘটনাও ঘটেছে বলে ওই খাল পারের বাসীন্দারা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই খালের অবস্থান উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে। পশ্চিম পারে পাঁচজুনিয়া আর পূর্বপারে দেবপুর গ্রাম। সেখানে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। তাই ওইসব গ্রামের ছেলে-মেয়েদের স্কুল কলেজে যেতে হয় রশি টানা নৌকায়। তবে এ নৌকায় নির্ধারিত কোন মাঝি নেই। রশি টেনে পারাপার হতে হয়। এতে শিশুদের ঝুঁকি অনেক বেশি। এর ফলে অনেক অভিভাবক তাদের ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
মাঝিবিহীন নৌকায় পারা পার হওয়া একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের প্রতিদিন নৌকর রশি টেনে পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। এতে করে খালে পরে অনেক সময় বই খাতাও ভিজে যায়।
ধানখালী সোনাগাজী হায়াতুন্নেছা অশ্রাব একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুখরঞ্জন তালুকদার বলেন, নৌকায় পারাপারে ঝুঁকি থাকায় অনেকে সময় শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসে না। কিন্তু খালটিতে একটি সেতু থাকলে রশি টানা নৌকায় পারাপার হতে হতো না।
চম্পাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিন্টু তালুকদার বলেন, পাঁচজুনিয়া ও দেবপুর দুই গ্রামের মাঝখানে এই খাল। এখানে একটি ব্রিজ থাকলে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ গ্রামবাসীদের চলাচলে অনেক সুবিধা হত।

 

 

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ